বুধবার (১৯ আগস্ট) জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পাওয়া গেলেও সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড এবং দেশ কোন দিকে এগোচ্ছে—এই দুটি বিষয়ে সন্তুষ্টির হার তুলনামূলক কম বলে জানানো হয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে মানুষের মধ্যে আশাবাদ রয়েছে। তবে একই সময়ে অনেকেই মনে করছেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। উত্তরদাতাদের কাছে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্য এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর মধ্যে উঠে এসেছে। চলতি আগস্ট মাসেই জরিপের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সরাসরি সাক্ষাৎকার নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের একটি প্যানেলের ওপর জরিপটি চালানো হয়। এ সময় মোট ১০ হাজার ৪১৩টি কল করা হয়েছে।
‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ডপলার রিসার্চ জানিয়েছে, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমত যাচাইয়ে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাকে ‘সতর্ক আশাবাদ’ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। মানুষ প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও দেশ কোন পথে এগোচ্ছে—এ বিষয়ে মত বিভক্ত। একই সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব উন্নতি হয়েছে কি না, সে বিষয়েও মানুষ এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
জরিপে অংশ নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী তার দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন। বিপরীতে ২১ দশমিক ৬ শতাংশের মত, তিনি ভালো করছেন না। আর ১২ দশমিক ১ শতাংশ কোনো মতামত দেননি অথবা উত্তর দিতে চাননি।
বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা ও আয়—সব শ্রেণির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার প্রায় একই রকম। এসব শ্রেণিতে হার ৬১ দশমিক ৭ থেকে ৭০ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। দেশের আটটি বিভাগেও এই হার ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ বা তার বেশি।
সরকারের কর্মকাণ্ডের তুলনায় প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার বেশি। এমনকি অন্যান্য দলের সমর্থকদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সন্তুষ্ট বলে জরিপে উঠে এসেছে।
সরকারের কাজকে ভালো বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রতিটি দলীয় সমর্থকগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেই একই প্রবণতা দেখা গেছে—প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান সরকারের চেয়ে বেশি এবং সরকারের অবস্থান দেশের গতিপথ নিয়ে মূল্যায়নের চেয়ে ওপরে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন, দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে। বিপরীতে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন দেশ ভুল পথে চলছে। ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি। জাতীয় পরিস্থিতি নিয়ে করা প্রশ্নগুলোর মধ্যে এটিই ছিল উত্তর না দেওয়ার সর্বোচ্চ হার।
জরিপের অন্যান্য প্রশ্নের তুলনায় এই প্রশ্নেই মতপার্থক্য সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। বিএনপির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করেন, দেশ সঠিক পথে আছে। আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে এই হার সর্বনিম্ন, ৩৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
কোনো তালিকা না দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জানতে চাওয়া হলে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে এবং ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এরপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা, ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান, ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত দুটি বিষয়েই সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবচেয়ে নেতিবাচক মূল্যায়ন পাওয়া গেছে। ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ বলেছেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা খারাপ হচ্ছে। ৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ জ্বালানি ও গ্যাস পরিস্থিতিকে খারাপ বলেছেন। আর ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক মত দিয়েছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, এক বছর আগের তুলনায় তাদের পরিবারের অবস্থা খারাপ হয়েছে। বিপরীতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন, তাদের পারিবারিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
আগামী ১২ মাসে পরিস্থিতি ভালো হবে বলে আশা করছেন ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ। আর ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ মনে করেন, অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। দেশ নিয়ে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ এক বছর আগের তুলনায় বেশি আশাবাদী। ৩৯ শতাংশ কম আশাবাদী এবং ৬ দশমিক ২ শতাংশ বলেছেন, পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জরিপে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতি ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের সমর্থন পাওয়া গেছে। করনীতিকে সমর্থন করেছেন ৭০ দশমিক ৭ শতাংশ। আর ৭০ দশমিক ০ শতাংশ মনে করেন, সরকারের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা উচিত।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের কর্মকাণ্ডকে ভালো বলেছেন ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়কের কাজকে ভালো বলেছেন ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।
নিজ নিজ এলাকায় সন্ধ্যার পর একা চলাফেরাকে নিরাপদ মনে করেন ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ নারী। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।
প্রকাশ্যে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করতে নিরাপদ বোধ করেন ৯৫ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা। মুসলিম উত্তরদাতাদের মধ্যে এই হার ৯৭ দশমিক ১ শতাংশ এবং হিন্দু উত্তরদাতাদের মধ্যে ৮২ শতাংশ।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (১৯ আগস্ট) জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পাওয়া গেলেও সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড এবং দেশ কোন দিকে এগোচ্ছে—এই দুটি বিষয়ে সন্তুষ্টির হার তুলনামূলক কম বলে জানানো হয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে মানুষের মধ্যে আশাবাদ রয়েছে। তবে একই সময়ে অনেকেই মনে করছেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় খারাপ হয়েছে। উত্তরদাতাদের কাছে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্য এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর মধ্যে উঠে এসেছে। চলতি আগস্ট মাসেই জরিপের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সরাসরি সাক্ষাৎকার নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের একটি প্যানেলের ওপর জরিপটি চালানো হয়। এ সময় মোট ১০ হাজার ৪১৩টি কল করা হয়েছে।
‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ডপলার রিসার্চ জানিয়েছে, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমত যাচাইয়ে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাকে ‘সতর্ক আশাবাদ’ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। মানুষ প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও দেশ কোন পথে এগোচ্ছে—এ বিষয়ে মত বিভক্ত। একই সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব উন্নতি হয়েছে কি না, সে বিষয়েও মানুষ এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
জরিপে অংশ নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী তার দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন। বিপরীতে ২১ দশমিক ৬ শতাংশের মত, তিনি ভালো করছেন না। আর ১২ দশমিক ১ শতাংশ কোনো মতামত দেননি অথবা উত্তর দিতে চাননি।
বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা ও আয়—সব শ্রেণির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার প্রায় একই রকম। এসব শ্রেণিতে হার ৬১ দশমিক ৭ থেকে ৭০ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। দেশের আটটি বিভাগেও এই হার ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ বা তার বেশি।
সরকারের কর্মকাণ্ডের তুলনায় প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার বেশি। এমনকি অন্যান্য দলের সমর্থকদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সন্তুষ্ট বলে জরিপে উঠে এসেছে।
সরকারের কাজকে ভালো বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রতিটি দলীয় সমর্থকগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেই একই প্রবণতা দেখা গেছে—প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান সরকারের চেয়ে বেশি এবং সরকারের অবস্থান দেশের গতিপথ নিয়ে মূল্যায়নের চেয়ে ওপরে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন, দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে। বিপরীতে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন দেশ ভুল পথে চলছে। ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি। জাতীয় পরিস্থিতি নিয়ে করা প্রশ্নগুলোর মধ্যে এটিই ছিল উত্তর না দেওয়ার সর্বোচ্চ হার।
জরিপের অন্যান্য প্রশ্নের তুলনায় এই প্রশ্নেই মতপার্থক্য সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। বিএনপির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করেন, দেশ সঠিক পথে আছে। আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে এই হার সর্বনিম্ন, ৩৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
কোনো তালিকা না দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জানতে চাওয়া হলে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে এবং ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এরপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা, ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান, ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত দুটি বিষয়েই সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবচেয়ে নেতিবাচক মূল্যায়ন পাওয়া গেছে। ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ বলেছেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা খারাপ হচ্ছে। ৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ জ্বালানি ও গ্যাস পরিস্থিতিকে খারাপ বলেছেন। আর ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক মত দিয়েছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, এক বছর আগের তুলনায় তাদের পরিবারের অবস্থা খারাপ হয়েছে। বিপরীতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন, তাদের পারিবারিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
আগামী ১২ মাসে পরিস্থিতি ভালো হবে বলে আশা করছেন ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ। আর ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ মনে করেন, অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। দেশ নিয়ে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ এক বছর আগের তুলনায় বেশি আশাবাদী। ৩৯ শতাংশ কম আশাবাদী এবং ৬ দশমিক ২ শতাংশ বলেছেন, পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জরিপে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতি ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের সমর্থন পাওয়া গেছে। করনীতিকে সমর্থন করেছেন ৭০ দশমিক ৭ শতাংশ। আর ৭০ দশমিক ০ শতাংশ মনে করেন, সরকারের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা উচিত।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের কর্মকাণ্ডকে ভালো বলেছেন ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়কের কাজকে ভালো বলেছেন ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।
নিজ নিজ এলাকায় সন্ধ্যার পর একা চলাফেরাকে নিরাপদ মনে করেন ৬৪ দশমিক ৩ শতাংশ নারী। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।
প্রকাশ্যে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করতে নিরাপদ বোধ করেন ৯৫ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা। মুসলিম উত্তরদাতাদের মধ্যে এই হার ৯৭ দশমিক ১ শতাংশ এবং হিন্দু উত্তরদাতাদের মধ্যে ৮২ শতাংশ।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন