বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ল্যাংড়া মুন্সির পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ইয়াছিন হাওলাদার (২২) ও তার সহযোগী সোহান (২৩)-এর বিরুদ্ধে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। আহত আমিনুল ইসলাম বাউফল ইউনিয়নের পূর্ব জৌতা গ্রামের মো. হালিম হাওলাদারের ছেলে। তিনি কালাইয়া বাজারে গুড়ের ব্যবসা করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইয়াছিন ও সোহান বেশ কিছুদিন ধরে আমিনুলের গুড়ের দোকানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তারা তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
বুধবার বিকেলে দোকান বন্ধ করে কালাইয়া বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ল্যাংড়া মুন্সির পুল এলাকায় ইয়াছিন, সোহানসহ কয়েকজন আমিনুলের পথ আটকান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় আমিনুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম হয়। এ সময় তার কাছে থাকা গুড় বিক্রির ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কালাইয়া বাজারে আর ব্যবসা না করার এবং এ বিষয়ে কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা আহত আমিনুলকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. ইয়াছিন হাওলাদার বলেন, তিনি আমিনুল ইসলামকে মারধর করেননি। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে পিটাইতেছি। ছাত্র আন্দোলনের সময় পোলাপানের গায়ে যারা হাত দিয়েছে, তাদের পেয়েছি।’ আমিনুলের একটি ভিডিও স্টেটমেন্ট তার কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি সাক্ষাৎ দেওয়ার কথা বলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ল্যাংড়া মুন্সির পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ইয়াছিন হাওলাদার (২২) ও তার সহযোগী সোহান (২৩)-এর বিরুদ্ধে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। আহত আমিনুল ইসলাম বাউফল ইউনিয়নের পূর্ব জৌতা গ্রামের মো. হালিম হাওলাদারের ছেলে। তিনি কালাইয়া বাজারে গুড়ের ব্যবসা করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইয়াছিন ও সোহান বেশ কিছুদিন ধরে আমিনুলের গুড়ের দোকানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় তারা তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
বুধবার বিকেলে দোকান বন্ধ করে কালাইয়া বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ল্যাংড়া মুন্সির পুল এলাকায় ইয়াছিন, সোহানসহ কয়েকজন আমিনুলের পথ আটকান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে মারধর করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় আমিনুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম হয়। এ সময় তার কাছে থাকা গুড় বিক্রির ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কালাইয়া বাজারে আর ব্যবসা না করার এবং এ বিষয়ে কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা আহত আমিনুলকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. ইয়াছিন হাওলাদার বলেন, তিনি আমিনুল ইসলামকে মারধর করেননি। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে পিটাইতেছি। ছাত্র আন্দোলনের সময় পোলাপানের গায়ে যারা হাত দিয়েছে, তাদের পেয়েছি।’ আমিনুলের একটি ভিডিও স্টেটমেন্ট তার কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি সাক্ষাৎ দেওয়ার কথা বলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন