বুধবার (১৯ আগস্ট) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। ওই আদেশের স্মারক নম্বর ন. ফ.স.ক/২০২৬/১২১১ এবং তারিখ ১৯.০৮.২০২৬।
নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মো. ফখরুল লতিফ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ছাত্রীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত কথোপকথনের সময় আপত্তিকর ও যৌনতাবিষয়ক আলোচনা করার চেষ্টা সংক্রান্ত একটি ভয়েস রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগটি বিবেচনায় নিয়ে কলেজ প্রশাসন তাকে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার অফিস আদেশ এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগ এনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। এতে সহযোগিতা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কলেজ শাখা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে অভিযুক্ত শিক্ষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. মুসলিম সরদার গণমাধ্যমকে বলেন, তার মা রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন। তিনি বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন।
তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত অব্যাহতির অফিস আদেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মুসলিম সরদার বলেন, তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ উঠেছে বা কী কারণে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং অফিস আদেশ জারি হয়েছে—এসব বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন। এ বিষয়ে পরদিন কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আরটিভি/এমএইচজে

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (১৯ আগস্ট) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। ওই আদেশের স্মারক নম্বর ন. ফ.স.ক/২০২৬/১২১১ এবং তারিখ ১৯.০৮.২০২৬।
নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মো. ফখরুল লতিফ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ছাত্রীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত কথোপকথনের সময় আপত্তিকর ও যৌনতাবিষয়ক আলোচনা করার চেষ্টা সংক্রান্ত একটি ভয়েস রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগটি বিবেচনায় নিয়ে কলেজ প্রশাসন তাকে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার অফিস আদেশ এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগ এনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। এতে সহযোগিতা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কলেজ শাখা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে অভিযুক্ত শিক্ষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. মুসলিম সরদার গণমাধ্যমকে বলেন, তার মা রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন। তিনি বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন।
তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত অব্যাহতির অফিস আদেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মুসলিম সরদার বলেন, তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ উঠেছে বা কী কারণে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং অফিস আদেশ জারি হয়েছে—এসব বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন। এ বিষয়ে পরদিন কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আরটিভি/এমএইচজে

আপনার মতামত লিখুন