আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-সমালোচনায় ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন।
২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক নেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আঃ খালেক সেলিম মোল্লা, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন, মনপুরা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার এবং মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হিসেবে মনপুরা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আমিনুল ইহসান জসিমের নাম আলোচনায় রয়েছে। ফলে বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ও জামায়াতের একক প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
তবে এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রার্থীতা চূড়ান্ত না হওয়ায় মাঠের সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন পান, সেটিই হতে পারে হাজিরহাট ইউনিয়নের নির্বাচনী রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী থাকায় দলটির অবস্থানও নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা হয়, নাকি একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকেন এটির ওপরও নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই নির্ভর করবে।
সব মিলিয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনী মাঠে থাকছেন এবং ভোটারদের রায় কার পক্ষে যাচ্ছে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়া পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-সমালোচনায় ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন।
২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক নেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আঃ খালেক সেলিম মোল্লা, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন, মনপুরা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার এবং মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হিসেবে মনপুরা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আমিনুল ইহসান জসিমের নাম আলোচনায় রয়েছে। ফলে বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ও জামায়াতের একক প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
তবে এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রার্থীতা চূড়ান্ত না হওয়ায় মাঠের সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন পান, সেটিই হতে পারে হাজিরহাট ইউনিয়নের নির্বাচনী রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী থাকায় দলটির অবস্থানও নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা হয়, নাকি একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকেন এটির ওপরও নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই নির্ভর করবে।
সব মিলিয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনী মাঠে থাকছেন এবং ভোটারদের রায় কার পক্ষে যাচ্ছে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়া পর্যন্ত।

আপনার মতামত লিখুন