তিনি বলেন, গত ১১ মাসে ডাকসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কীভাবে কাজ করতে হয়, তা তারা প্রমাণ করেছেন। শিক্ষার্থীরাও মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে এমন কাজ আগে হয়নি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান ডাকসু নেতৃত্বের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি প্রায় শূন্যের পর্যায়ে নেমে এসেছে। ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, বর্তমান সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, গবেষণা, চিন্তা ও প্রশ্ন করার সুযোগ তৈরি করা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে পরিবেশ নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে সেই একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
দেশের তরুণ প্রজন্মকে যথাযথ স্বীকৃতি ও সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে সাদিক কায়েম বলেন, গত ৫৫ বছরে দেশের নেতৃত্বে যারা ছিলেন, তারা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেভাবে ভাবা এবং তাদের যেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা দিতে পারেননি।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের এই ব্যর্থতার কারণেই জাতি একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন। তবে দেশে তাদের মেধার যথাযথ বিকাশ ও তা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, গত ১১ মাসে ডাকসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কীভাবে কাজ করতে হয়, তা তারা প্রমাণ করেছেন। শিক্ষার্থীরাও মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে এমন কাজ আগে হয়নি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান ডাকসু নেতৃত্বের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি প্রায় শূন্যের পর্যায়ে নেমে এসেছে। ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, বর্তমান সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, গবেষণা, চিন্তা ও প্রশ্ন করার সুযোগ তৈরি করা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে পরিবেশ নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে সেই একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
দেশের তরুণ প্রজন্মকে যথাযথ স্বীকৃতি ও সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে সাদিক কায়েম বলেন, গত ৫৫ বছরে দেশের নেতৃত্বে যারা ছিলেন, তারা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেভাবে ভাবা এবং তাদের যেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা দিতে পারেননি।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের এই ব্যর্থতার কারণেই জাতি একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন। তবে দেশে তাদের মেধার যথাযথ বিকাশ ও তা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন