নিহত শাহিদ হোসেন ওই এলাকার মৃত ইকবাল হোসেনের ছেলে। তিনি আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক ও নিহতের স্ত্রী শারমিন আক্তার।
পরিবার ও স্বজনদের ভাষ্য, সকালে নিজ বাসার ড্রয়িংরুমে শাহিদ হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
শারমিন আক্তার জানান, তার স্বামী বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ও পারিবারিক চাপে ছিলেন। কয়েক মাস আগে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে কক্সবাজার থেকে বদলি করে। এরপর তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। চাকরি ছাড়ার পর থেকেই মূলত পারিবারিক অশান্তির সৃষ্টি হয়।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহিদ হোসেনকে হাসপাতালে আনার পর দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিস্তারিত এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে জানতে ডবলমুরিং থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
নিহত শাহিদ হোসেন ওই এলাকার মৃত ইকবাল হোসেনের ছেলে। তিনি আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক ও নিহতের স্ত্রী শারমিন আক্তার।
পরিবার ও স্বজনদের ভাষ্য, সকালে নিজ বাসার ড্রয়িংরুমে শাহিদ হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
শারমিন আক্তার জানান, তার স্বামী বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ও পারিবারিক চাপে ছিলেন। কয়েক মাস আগে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে কক্সবাজার থেকে বদলি করে। এরপর তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। চাকরি ছাড়ার পর থেকেই মূলত পারিবারিক অশান্তির সৃষ্টি হয়।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহিদ হোসেনকে হাসপাতালে আনার পর দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিস্তারিত এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে জানতে ডবলমুরিং থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন