শেষ মুহূর্তে বড় সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ভারতের জায়গায় ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে ফিফা। শনিবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
টুর্নামেন্ট থেকে ভারত নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে ফিফার সঙ্গে বাফুফের আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনার পর বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অনুমোদন পেয়েছে।
এর আগে বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম জানিয়েছিলেন, ভারত সরে গেলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির অবস্থানও ছিল—এমন সুযোগ এলে বাংলাদেশ অবশ্যই অংশ নেবে
মূল সূচি অনুযায়ী ফিফা আসিয়ান কাপের প্রিমিয়ার ডিভিশনের ‘এ’ গ্রুপে ছিল ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। ভারত সরে যাওয়ায় তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে যুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন।
টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর আগে চীন টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ালে তাদের জায়গায় পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
দক্ষিণ এশিয়া থেকে অতিথি দল হিসেবে শুরুতে ভারতকেই টুর্নামেন্টে রাখা হয়েছিল। তবে নিজেদের মাঠে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ থাকায় ভারত আসিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়।
ভারতের জায়গা পূরণ করতেই বাংলাদেশের সামনে সুযোগটি আসে।
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ফিফা আসিয়ান কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচগুলো ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজন করা হবে।
অন্যদিকে চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে হংকংয়ে। সেখানে হংকং, মিয়ানমার, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, লাওস ও পূর্ব তিমুর অংশ নেবে।
ভারতের শেষ মুহূর্তের সরে দাঁড়ানোর পর বাংলাদেশ যে সুযোগ পেয়েছে, সেটি জাতীয় দলের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের বড় মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
শেষ মুহূর্তে বড় সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ভারতের জায়গায় ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে ফিফা। শনিবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
টুর্নামেন্ট থেকে ভারত নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে ফিফার সঙ্গে বাফুফের আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনার পর বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অনুমোদন পেয়েছে।
এর আগে বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম জানিয়েছিলেন, ভারত সরে গেলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির অবস্থানও ছিল—এমন সুযোগ এলে বাংলাদেশ অবশ্যই অংশ নেবে
মূল সূচি অনুযায়ী ফিফা আসিয়ান কাপের প্রিমিয়ার ডিভিশনের ‘এ’ গ্রুপে ছিল ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। ভারত সরে যাওয়ায় তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে যুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন।
টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর আগে চীন টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ালে তাদের জায়গায় পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
দক্ষিণ এশিয়া থেকে অতিথি দল হিসেবে শুরুতে ভারতকেই টুর্নামেন্টে রাখা হয়েছিল। তবে নিজেদের মাঠে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ থাকায় ভারত আসিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়।
ভারতের জায়গা পূরণ করতেই বাংলাদেশের সামনে সুযোগটি আসে।
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ফিফা আসিয়ান কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচগুলো ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজন করা হবে।
অন্যদিকে চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে হংকংয়ে। সেখানে হংকং, মিয়ানমার, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, লাওস ও পূর্ব তিমুর অংশ নেবে।
ভারতের শেষ মুহূর্তের সরে দাঁড়ানোর পর বাংলাদেশ যে সুযোগ পেয়েছে, সেটি জাতীয় দলের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের বড় মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন