স্থানীয় সূত্র জানায়, হজরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেটের মাজার, মসজিদ এবং এর অধীন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি দোকানকোঠার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিলাম শেখপাড়ার দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে উভয় পক্ষের লোকজন মসজিদে এলে সেই বিরোধ আবার প্রকাশ্যে রূপ নেয়।
নামাজ শেষে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। পরে উভয় পক্ষ ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেলের আঘাতে মোগলাবাজার থানার ওসিসহ সাত পুলিশ সদস্য আহত হন। সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষের ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলায় চণ্ডীপুল-বালাগঞ্জ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মোগলাবাজার থানার ওসি মো. মনির হোসেন জানান, জুমার নামাজের সময় হঠাৎ দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা হামলার শিকার হন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আমার বাংলা ২৪

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় সূত্র জানায়, হজরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেটের মাজার, মসজিদ এবং এর অধীন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি দোকানকোঠার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিলাম শেখপাড়ার দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে উভয় পক্ষের লোকজন মসজিদে এলে সেই বিরোধ আবার প্রকাশ্যে রূপ নেয়।
নামাজ শেষে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। পরে উভয় পক্ষ ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেলের আঘাতে মোগলাবাজার থানার ওসিসহ সাত পুলিশ সদস্য আহত হন। সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষের ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলায় চণ্ডীপুল-বালাগঞ্জ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মোগলাবাজার থানার ওসি মো. মনির হোসেন জানান, জুমার নামাজের সময় হঠাৎ দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা হামলার শিকার হন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আমার বাংলা ২৪

আপনার মতামত লিখুন