বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর নৈশ ইবাদতকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন ইনশাফ টাইমস ২৪-এর উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আর এ রাফি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ওটরা ইউনিয়নের চকমান মসজিদে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নৈশ ইবাদত ও তাহাজ্জুদ নামাজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে ওটরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রিয়াজসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে অনুষ্ঠানে বাধা দেন।
এ সময় মো. রিয়াজ প্রশ্ন করেন, মসজিদে জামায়াতের অনুষ্ঠান কেন হবে এবং তাদের অনুষ্ঠানে কেন দাওয়াত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরবর্তীতে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা আলোচনায় বসেন। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ইনশাফ টাইমস ২৪-এর উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আর এ রাফি।
রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে আলোচনার সময় আর এ রাফি ঘটনাটির ছবি ধারণ করতে গেলে বিএনপির এক নেতা তাকে ক্যামেরা নামিয়ে নিতে বলেন। তখন তিনি ক্যামেরা নামিয়ে নিজের সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখিয়ে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন।
সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর বিএনপির সাবেক বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহসাধারনসম্পাদক মো. সুজনসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালান। এ সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন মিলে তাকে লাথি ও ঘুষি মারেন।
হামলার একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে একটি মসজিদের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট অবস্থান করার পর তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
আর এ রাফি বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ ও ছবি ধারণের জন্য গিয়েছিলাম। আমি আমার পরিচয়পত্র দেখিয়ে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও আমার ওপর হামলা করা হয়। সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর নৈশ ইবাদতকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন ইনশাফ টাইমস ২৪-এর উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আর এ রাফি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ওটরা ইউনিয়নের চকমান মসজিদে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নৈশ ইবাদত ও তাহাজ্জুদ নামাজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে ওটরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রিয়াজসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে অনুষ্ঠানে বাধা দেন।
এ সময় মো. রিয়াজ প্রশ্ন করেন, মসজিদে জামায়াতের অনুষ্ঠান কেন হবে এবং তাদের অনুষ্ঠানে কেন দাওয়াত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পরবর্তীতে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা আলোচনায় বসেন। এ সময় সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ইনশাফ টাইমস ২৪-এর উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আর এ রাফি।
রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে আলোচনার সময় আর এ রাফি ঘটনাটির ছবি ধারণ করতে গেলে বিএনপির এক নেতা তাকে ক্যামেরা নামিয়ে নিতে বলেন। তখন তিনি ক্যামেরা নামিয়ে নিজের সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখিয়ে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন।
সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর বিএনপির সাবেক বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহসাধারনসম্পাদক মো. সুজনসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালান। এ সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন মিলে তাকে লাথি ও ঘুষি মারেন।
হামলার একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে একটি মসজিদের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট অবস্থান করার পর তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
আর এ রাফি বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ ও ছবি ধারণের জন্য গিয়েছিলাম। আমি আমার পরিচয়পত্র দেখিয়ে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও আমার ওপর হামলা করা হয়। সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন