শনিবার দুপুরে হত্যাকাণ্ডের পর দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।
শনিবার বেলা ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ফারুক শেখের শয়নকক্ষের মেঝেতে তার দুই হাত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এবং গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে রয়েছে। কক্ষটির দরজাও খোলা ছিল।
নিহতের ভাই মো. আব্দুল বারেক শেখ জানান, তারা তিন ভাই মিলে দৌলতদিয়া ঘাটে চায়ের দোকান পরিচালনা করেন। তিনিও ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন। দুপুর ১টার দিকে ফারুকের সঙ্গে কথা বলে তিনি দোকানে চলে যান। পরে তাদের অন্য বাড়ি থেকে আরেক ভাই মো. ফরিদ শেখ খাবার নিয়ে বাড়িতে আসেন। এরপর ফারুকের ঘরে গিয়ে তিনি তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।
আব্দুল বারেক শেখ আরও জানান, তার ভাই ফারুক অন্তত ছয়টি বিয়ে করেছেন। তবে কোনো স্ত্রীই তার সঙ্গে বাড়িতে থাকেন না। কিছুদিন আগে ফারুকের দ্বিতীয় স্ত্রী তার এক বন্ধুর সঙ্গে চলে যান। ফারুক বাড়িতে বন্ধুদের নিয়ে এসে দাবা খেলার অভ্যাস ছিল। তবে তার কোনো শত্রু ছিল বলে তারা জানেন না।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারুক নামে ওই ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন টিম ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসছেন বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
শনিবার দুপুরে হত্যাকাণ্ডের পর দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।
শনিবার বেলা ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ফারুক শেখের শয়নকক্ষের মেঝেতে তার দুই হাত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এবং গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে রয়েছে। কক্ষটির দরজাও খোলা ছিল।
নিহতের ভাই মো. আব্দুল বারেক শেখ জানান, তারা তিন ভাই মিলে দৌলতদিয়া ঘাটে চায়ের দোকান পরিচালনা করেন। তিনিও ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন। দুপুর ১টার দিকে ফারুকের সঙ্গে কথা বলে তিনি দোকানে চলে যান। পরে তাদের অন্য বাড়ি থেকে আরেক ভাই মো. ফরিদ শেখ খাবার নিয়ে বাড়িতে আসেন। এরপর ফারুকের ঘরে গিয়ে তিনি তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।
আব্দুল বারেক শেখ আরও জানান, তার ভাই ফারুক অন্তত ছয়টি বিয়ে করেছেন। তবে কোনো স্ত্রীই তার সঙ্গে বাড়িতে থাকেন না। কিছুদিন আগে ফারুকের দ্বিতীয় স্ত্রী তার এক বন্ধুর সঙ্গে চলে যান। ফারুক বাড়িতে বন্ধুদের নিয়ে এসে দাবা খেলার অভ্যাস ছিল। তবে তার কোনো শত্রু ছিল বলে তারা জানেন না।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারুক নামে ওই ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন টিম ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসছেন বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন