ঢাকা    রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার

ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার
ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার

৮ সেপ্টেম্বর থেকে স্টিল, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন মার্কিন পণ্যে নতুন শুল্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্টিল, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন পণ্যে নতুন করে শুল্ক বসাবে দেশটি। শনিবার (২২ আগস্ট) কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ ঘোষণা দেন।

এর আগে শুক্রবার রাত পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও কোনো সমঝোতা হয়নি। এর পরই কানাডার পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করেন ট্রাম্প। এতে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক অংশীদার ও মিত্র দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্পের নতুন শুল্কের আওতায় কানাডার ওয়াইন, আসবাব, দুগ্ধজাত পণ্য, সিমেন্ট, পোশাক, মাছ ধরার সরঞ্জাম ও হকি সরঞ্জামসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এর ফলে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কানাডীয় রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গত ১৮ মাস ধরে চুক্তির আওতায় কানাডার অধিকাংশ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে আসছিল।

অটোয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি বলেন, কানাডার শ্রমিক, কৃষক, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে তার সরকার।

কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে প্রস্তাব দিয়েছে, কানাডা তা মেনে নিতে পারে না। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র যে বিষয়গুলো চেয়েছে, সেগুলোও কানাডা দেবে না।

তিনি আরও বলেন, কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে যেতে চায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের কারণে তাদের পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৭০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যায়। এরপরও ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অটোয়া।

কানাডার পাল্টা শুল্কের আওতায় স্টিল, দুগ্ধজাত পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, কৃষিযন্ত্র, মণ্ড ও কাগজ এবং ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন মার্কিন পণ্য থাকবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব পদক্ষেপের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন কার্নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়সন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, কানাডার সঙ্গে নতুন করে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। কানাডা পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রও এর উপযুক্ত জবাব দেওয়ার পথে এগোচ্ছে বলে জানান তিনি।

কার্নির ভাষ্য, শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন কিছু নতুন শর্ত দেওয়া হয়েছিল, যা কানাডার জন্য অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক ও অন্যায্য। এসব শর্তের কারণেই চুক্তির আলোচনা ভেস্তে যায়। এর মধ্যে কানাডার ভবিষ্যতে নতুন বাণিজ্যচুক্তি করার সক্ষমতা সীমিত করার বিষয়টিও ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে কানাডার রপ্তানির প্রায় ৫ শতাংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নরম কাঠ ও ওয়াইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এর প্রভাবে কর্মসংস্থান কমার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলোর জন্য আগামী সপ্তাহে সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন কার্নি। প্রয়োজন হলে এই সহায়তা কয়েক বছর পর্যন্ত চালু রাখা হতে পারে।

অন্যদিকে, কানাডার অন্টারিও প্রদেশের সরকারপ্রধান ডগ ফোর্ড কার্নির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তি অন্টারিওর গাড়ি, স্টিল ও উৎপাদন খাতের জন্য ক্ষতিকর হতো।

গাড়ি নিয়ে বড় বিরোধ

বাণিজ্যচুক্তির আলোচনায় দুই দেশের মতবিরোধের অন্যতম বড় বিষয় ছিল গাড়ির ওপর শুল্কনীতি।

কানাডা চেয়েছিল হালকা গাড়ির জন্য প্রস্তাবিত সুবিধাজনক শুল্কনীতি মাঝারি ও ভারী ট্রাকের ক্ষেত্রেও কার্যকর করা হোক। তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে রাজি হয়নি।

কার্নির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব মেনে নিলে কানাডায় তৈরি ফোর্ডের এফ-৩৫০, এফ-৪৫০ ও এফ-৫৫০ ট্রাক এবং জেনারেল মোটরসের সিলভেরাডোর মতো কয়েকটি মডেল চুক্তির সুবিধা থেকে বাদ পড়ত। এতে কানাডার গাড়ি উৎপাদন খাত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রস্তাব কানাডার সংস্কৃতি, ভাষা ও সার্বভৌমত্বের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও অভিযোগ করেছেন কার্নি। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় শক্ত অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েই গত বছর নির্বাচিত হন কার্নি। বিভিন্ন জনমত জরিপেও দেখা গেছে, কানাডার অধিকাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্যিক বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিপক্ষে।

কানাডার প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা পিয়েরে পোইলিভ্রে বলেছেন, দেশটির কর্মসংস্থান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর অন্যায্য চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কানাডিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

৮ সেপ্টেম্বর থেকে স্টিল, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন মার্কিন পণ্যে নতুন শুল্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্টিল, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন পণ্যে নতুন করে শুল্ক বসাবে দেশটি। শনিবার (২২ আগস্ট) কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ ঘোষণা দেন।

এর আগে শুক্রবার রাত পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও কোনো সমঝোতা হয়নি। এর পরই কানাডার পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করেন ট্রাম্প। এতে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক অংশীদার ও মিত্র দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্পের নতুন শুল্কের আওতায় কানাডার ওয়াইন, আসবাব, দুগ্ধজাত পণ্য, সিমেন্ট, পোশাক, মাছ ধরার সরঞ্জাম ও হকি সরঞ্জামসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এর ফলে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কানাডীয় রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গত ১৮ মাস ধরে চুক্তির আওতায় কানাডার অধিকাংশ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে আসছিল।

অটোয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি বলেন, কানাডার শ্রমিক, কৃষক, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে তার সরকার।

কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে প্রস্তাব দিয়েছে, কানাডা তা মেনে নিতে পারে না। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র যে বিষয়গুলো চেয়েছে, সেগুলোও কানাডা দেবে না।

তিনি আরও বলেন, কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে যেতে চায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের কারণে তাদের পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৭০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যায়। এরপরও ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অটোয়া।

কানাডার পাল্টা শুল্কের আওতায় স্টিল, দুগ্ধজাত পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, কৃষিযন্ত্র, মণ্ড ও কাগজ এবং ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন মার্কিন পণ্য থাকবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব পদক্ষেপের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন কার্নি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়সন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, কানাডার সঙ্গে নতুন করে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। কানাডা পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রও এর উপযুক্ত জবাব দেওয়ার পথে এগোচ্ছে বলে জানান তিনি।

কার্নির ভাষ্য, শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন কিছু নতুন শর্ত দেওয়া হয়েছিল, যা কানাডার জন্য অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক ও অন্যায্য। এসব শর্তের কারণেই চুক্তির আলোচনা ভেস্তে যায়। এর মধ্যে কানাডার ভবিষ্যতে নতুন বাণিজ্যচুক্তি করার সক্ষমতা সীমিত করার বিষয়টিও ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে কানাডার রপ্তানির প্রায় ৫ শতাংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নরম কাঠ ও ওয়াইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। এর প্রভাবে কর্মসংস্থান কমার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলোর জন্য আগামী সপ্তাহে সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন কার্নি। প্রয়োজন হলে এই সহায়তা কয়েক বছর পর্যন্ত চালু রাখা হতে পারে।

অন্যদিকে, কানাডার অন্টারিও প্রদেশের সরকারপ্রধান ডগ ফোর্ড কার্নির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তি অন্টারিওর গাড়ি, স্টিল ও উৎপাদন খাতের জন্য ক্ষতিকর হতো।

গাড়ি নিয়ে বড় বিরোধ

বাণিজ্যচুক্তির আলোচনায় দুই দেশের মতবিরোধের অন্যতম বড় বিষয় ছিল গাড়ির ওপর শুল্কনীতি।

কানাডা চেয়েছিল হালকা গাড়ির জন্য প্রস্তাবিত সুবিধাজনক শুল্কনীতি মাঝারি ও ভারী ট্রাকের ক্ষেত্রেও কার্যকর করা হোক। তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে রাজি হয়নি।

কার্নির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব মেনে নিলে কানাডায় তৈরি ফোর্ডের এফ-৩৫০, এফ-৪৫০ ও এফ-৫৫০ ট্রাক এবং জেনারেল মোটরসের সিলভেরাডোর মতো কয়েকটি মডেল চুক্তির সুবিধা থেকে বাদ পড়ত। এতে কানাডার গাড়ি উৎপাদন খাত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রস্তাব কানাডার সংস্কৃতি, ভাষা ও সার্বভৌমত্বের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও অভিযোগ করেছেন কার্নি। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় শক্ত অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েই গত বছর নির্বাচিত হন কার্নি। বিভিন্ন জনমত জরিপেও দেখা গেছে, কানাডার অধিকাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্যিক বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিপক্ষে।

কানাডার প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা পিয়েরে পোইলিভ্রে বলেছেন, দেশটির কর্মসংস্থান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর অন্যায্য চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কানাডিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র: রয়টার্স


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার
0:00 0:00
1.0x