২০০৯ সালে বার্লিনে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডে শেষ করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন উসাইন বোল্ট। তবে লাইটনিংয়ের ৯ দশমিক ৩২ সেকেন্ডের সময়টি মূল প্রতিযোগিতার ফল নয়; এটি গেমস শুরুর আগে অনুষ্ঠিত পরীক্ষামূলক দৌড়ের ফল।
পরীক্ষামূলক দৌড়ে লাইটনিংয়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল প্রতি সেকেন্ডে ১৪ দশমিক ৫ মিটার। যা ঘণ্টায় প্রায় ৫২ কিলোমিটারের সমান। রোবটটির গতি ও ভারসাম্য বাড়ানোর লক্ষ্যে দৌড়ের আগে এর পায়ের দৈর্ঘ্যও পরিবর্তন করা হয়।
লাইটনিংয়ের জন্য এটাই প্রথম বড় সাফল্য নয়। গত এপ্রিলে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ২১ কিলোমিটারের হাফ ম্যারাথনে অংশ নিয়ে রোবটটি ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে প্রথম হয়। ওই সময় মানব হাফ ম্যারাথনের বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও দ্রুত ছিল।
হাফ ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার সময় লাইটনিংয়ের উচ্চতা ছিল ১৬৯ সেন্টিমিটার এবং পায়ের দৈর্ঘ্য ৯৫ সেন্টিমিটার। পরে স্প্রিন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গবেষকেরা পায়ের দৈর্ঘ্য ১০ সেন্টিমিটার বাড়িয়ে ১ দশমিক ০৫ মিটার করেন। এর মাধ্যমে রোবটটির গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়।
এদিকে বেইজিংয়ে শুরু হওয়া বিশ্ব হিউম্যানয়েড রোবট গেমস এবার দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাঁচ দিনের এই আয়োজনে দৌড়, ফুটবল, টেবিল টেনিস, ভারোত্তোলন ও দড়ি টানাটানিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় হিউম্যানয়েড রোবট অংশ নিচ্ছে।
মূল প্রতিযোগিতার ১০০ মিটার দৌড়েও আরেকটি চীনা হিউম্যানয়েড রোবট ৯ দশমিক ৩৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে উসাইন বোল্টের ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডের মানব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। একই প্রতিযোগিতায় আরেকটি রোবট স্ট্যান্ডিং হাই জাম্পে ২ দশমিক ৮৮ মিটার লাফ দিয়ে মানব রেকর্ডও অতিক্রম করেছে।
চীন হিউম্যানয়েড রোবোটিকসকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আধুনিক হার্ডওয়্যার ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির অগ্রগতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদন, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এসব রোবটের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে দেশটির।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবটের গতি ও সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও বাস্তব জীবনে ব্যাপক ব্যবহারের পর্যায়ে এই প্রযুক্তি এখনো পুরোপুরি পৌঁছায়নি। বর্তমানে হিউম্যানয়েড রোবটের বড় একটি অংশ গবেষণা, প্রদর্শনী এবং নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
২০০৯ সালে বার্লিনে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডে শেষ করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন উসাইন বোল্ট। তবে লাইটনিংয়ের ৯ দশমিক ৩২ সেকেন্ডের সময়টি মূল প্রতিযোগিতার ফল নয়; এটি গেমস শুরুর আগে অনুষ্ঠিত পরীক্ষামূলক দৌড়ের ফল।
পরীক্ষামূলক দৌড়ে লাইটনিংয়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল প্রতি সেকেন্ডে ১৪ দশমিক ৫ মিটার। যা ঘণ্টায় প্রায় ৫২ কিলোমিটারের সমান। রোবটটির গতি ও ভারসাম্য বাড়ানোর লক্ষ্যে দৌড়ের আগে এর পায়ের দৈর্ঘ্যও পরিবর্তন করা হয়।
লাইটনিংয়ের জন্য এটাই প্রথম বড় সাফল্য নয়। গত এপ্রিলে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ২১ কিলোমিটারের হাফ ম্যারাথনে অংশ নিয়ে রোবটটি ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে প্রথম হয়। ওই সময় মানব হাফ ম্যারাথনের বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও দ্রুত ছিল।
হাফ ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার সময় লাইটনিংয়ের উচ্চতা ছিল ১৬৯ সেন্টিমিটার এবং পায়ের দৈর্ঘ্য ৯৫ সেন্টিমিটার। পরে স্প্রিন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গবেষকেরা পায়ের দৈর্ঘ্য ১০ সেন্টিমিটার বাড়িয়ে ১ দশমিক ০৫ মিটার করেন। এর মাধ্যমে রোবটটির গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়।
এদিকে বেইজিংয়ে শুরু হওয়া বিশ্ব হিউম্যানয়েড রোবট গেমস এবার দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাঁচ দিনের এই আয়োজনে দৌড়, ফুটবল, টেবিল টেনিস, ভারোত্তোলন ও দড়ি টানাটানিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় হিউম্যানয়েড রোবট অংশ নিচ্ছে।
মূল প্রতিযোগিতার ১০০ মিটার দৌড়েও আরেকটি চীনা হিউম্যানয়েড রোবট ৯ দশমিক ৩৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে উসাইন বোল্টের ৯ দশমিক ৫৮ সেকেন্ডের মানব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। একই প্রতিযোগিতায় আরেকটি রোবট স্ট্যান্ডিং হাই জাম্পে ২ দশমিক ৮৮ মিটার লাফ দিয়ে মানব রেকর্ডও অতিক্রম করেছে।
চীন হিউম্যানয়েড রোবোটিকসকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আধুনিক হার্ডওয়্যার ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির অগ্রগতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদন, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এসব রোবটের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে দেশটির।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবটের গতি ও সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও বাস্তব জীবনে ব্যাপক ব্যবহারের পর্যায়ে এই প্রযুক্তি এখনো পুরোপুরি পৌঁছায়নি। বর্তমানে হিউম্যানয়েড রোবটের বড় একটি অংশ গবেষণা, প্রদর্শনী এবং নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন