কর্ডোফানের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় বহু মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। পুরো অঞ্চলজুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ইতোমধ্যে কয়েক দশক হাজারে পৌঁছেছে।
সহিংসতা থেকে পালিয়ে এল ওবেইদে আসা পরিবারগুলোর অনেকেই বর্তমানে অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকছেন। তবে শহরে পৌঁছেও তারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা ও নিরাপদ থাকার জায়গার সংকটে পড়েছেন। নতুন করে মানুষের আগমন স্থানীয় মানবিক সহায়তা ব্যবস্থার ওপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
সুদানের চলমান যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতপূর্ণ এলাকা কর্ডোফান। কৌশলগত অবস্থানের কারণে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে সংঘাতের মাত্রা বাড়ায় বেসামরিক মানুষের বাস্তুচ্যুতির সংখ্যাও বেড়েছে।
মাত্র এক সপ্তাহে এল ওবেইদে ৫ হাজারের বেশি পরিবারের পৌঁছানোর ঘটনা নতুন করে বাস্তুচ্যুতির ভয়াবহতা সামনে এনেছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবিক সহায়তাকারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।
সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতের কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সঙ্গে খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
কর্ডোফানে সহিংসতা অব্যাহত থাকলে এল ওবেইদ ও আশপাশের এলাকায় আশ্রয়ের জন্য আরও মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে সুদানের চলমান মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
কর্ডোফানের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় বহু মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। পুরো অঞ্চলজুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ইতোমধ্যে কয়েক দশক হাজারে পৌঁছেছে।
সহিংসতা থেকে পালিয়ে এল ওবেইদে আসা পরিবারগুলোর অনেকেই বর্তমানে অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকছেন। তবে শহরে পৌঁছেও তারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা ও নিরাপদ থাকার জায়গার সংকটে পড়েছেন। নতুন করে মানুষের আগমন স্থানীয় মানবিক সহায়তা ব্যবস্থার ওপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
সুদানের চলমান যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতপূর্ণ এলাকা কর্ডোফান। কৌশলগত অবস্থানের কারণে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে সংঘাতের মাত্রা বাড়ায় বেসামরিক মানুষের বাস্তুচ্যুতির সংখ্যাও বেড়েছে।
মাত্র এক সপ্তাহে এল ওবেইদে ৫ হাজারের বেশি পরিবারের পৌঁছানোর ঘটনা নতুন করে বাস্তুচ্যুতির ভয়াবহতা সামনে এনেছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবিক সহায়তাকারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।
সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতের কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সঙ্গে খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
কর্ডোফানে সহিংসতা অব্যাহত থাকলে এল ওবেইদ ও আশপাশের এলাকায় আশ্রয়ের জন্য আরও মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে সুদানের চলমান মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন