রোববার এক বিবৃতিতে সিজেপি জানায়, সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে বাধ্য করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। এর মধ্যে দেশজুড়ে আবারও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করার বিষয়টিও রয়েছে।
দলটি ভারতজুড়ে শিক্ষার্থী, তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। গত ২৫ জুলাই সরকারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সিজেপি তাদের প্রথম দফার আন্দোলন স্থগিত করেছিল।
তবে এরপর কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে সংগঠনটি। এর পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সিজেপি নেতাদের মতে, নতুন করে উত্তেজনা তৈরির অন্যতম কারণ ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত একটি শুনানি।
দলটির দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো নিষ্পত্তির বিষয়ে আদালত বারবার সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। সিজেপি জানিয়েছে, দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআরের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনবার নির্দেশ দিয়েছেন।
সিজেপির দাবি, তালিকাটি পাওয়া গেলে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের আওতায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত মামলাগুলো একসঙ্গে বাতিল করতে পারতেন। তবে দলটির অভিযোগ, আদালতের বারবার অনুরোধের পরও সরকার ওই তালিকা জমা দেওয়ার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
তাদের দাবি, প্রথম দফার আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দেওয়া আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
সিজেপি বলছে, এসব প্রতিশ্রুতির অগ্রগতি জানাতে সরকারের প্রতিনিধিরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।
সিজেপির দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা সব এফআইআর প্রত্যাহার বা বাতিল করা। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—এমন নিশ্চয়তাও চায় সংগঠনটি। এ ছাড়া ‘মৃত নেট ভুক্তভোগীদের’ পরিবারের জন্য সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লিখিত নিশ্চয়তা দাবি করেছে তারা।
দলটির ভাষ্য, সরকারের আশ্বাসে আস্থা রেখে গত জুলাইয়ে তারা আন্দোলন স্থগিত করেছিল। কিন্তু এখনো সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সিজেপি বলেছে, আগেরবার আন্দোলন স্থগিত করা ছিল তাদের সদিচ্ছার প্রমাণ। সংগঠনটির বক্তব্য, ‘আমাদের সদিচ্ছাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা যাবে না।’ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শেষ করতে সরকার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর রাস্তাঘাট ফাঁকা হলে সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি পুরো প্রজন্মকে অপমান করা হবে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রোববার এক বিবৃতিতে সিজেপি জানায়, সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে বাধ্য করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। এর মধ্যে দেশজুড়ে আবারও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করার বিষয়টিও রয়েছে।
দলটি ভারতজুড়ে শিক্ষার্থী, তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। গত ২৫ জুলাই সরকারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সিজেপি তাদের প্রথম দফার আন্দোলন স্থগিত করেছিল।
তবে এরপর কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে সংগঠনটি। এর পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সিজেপি নেতাদের মতে, নতুন করে উত্তেজনা তৈরির অন্যতম কারণ ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত একটি শুনানি।
দলটির দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো নিষ্পত্তির বিষয়ে আদালত বারবার সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। সিজেপি জানিয়েছে, দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআরের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনবার নির্দেশ দিয়েছেন।
সিজেপির দাবি, তালিকাটি পাওয়া গেলে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের আওতায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত মামলাগুলো একসঙ্গে বাতিল করতে পারতেন। তবে দলটির অভিযোগ, আদালতের বারবার অনুরোধের পরও সরকার ওই তালিকা জমা দেওয়ার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
তাদের দাবি, প্রথম দফার আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দেওয়া আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
সিজেপি বলছে, এসব প্রতিশ্রুতির অগ্রগতি জানাতে সরকারের প্রতিনিধিরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।
সিজেপির দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা সব এফআইআর প্রত্যাহার বা বাতিল করা। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—এমন নিশ্চয়তাও চায় সংগঠনটি। এ ছাড়া ‘মৃত নেট ভুক্তভোগীদের’ পরিবারের জন্য সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লিখিত নিশ্চয়তা দাবি করেছে তারা।
দলটির ভাষ্য, সরকারের আশ্বাসে আস্থা রেখে গত জুলাইয়ে তারা আন্দোলন স্থগিত করেছিল। কিন্তু এখনো সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সিজেপি বলেছে, আগেরবার আন্দোলন স্থগিত করা ছিল তাদের সদিচ্ছার প্রমাণ। সংগঠনটির বক্তব্য, ‘আমাদের সদিচ্ছাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা যাবে না।’ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শেষ করতে সরকার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর রাস্তাঘাট ফাঁকা হলে সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি পুরো প্রজন্মকে অপমান করা হবে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন