নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ভবনে পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন নিয়ে ইলেক্টেড (নির্বাচিত) ও সিলেক্টেড (মনোনীত) দুই এমপির মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে এই ঘটনায় উপস্থিতরা মুহূর্তেই হতভম্ব হয়ে পড়েন। পরে জানাজানি হয়ে পড়লে পুরো শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উদ্বোধনের সময় নাম ফলকে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিমের নাম দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সংরক্ষিত নারী সদস্য সদস্য বিলকিস ইসলাম। এতে বিষয়টা নিয়ে উভয়ের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিদর্শন কক্ষে বসেই ঘণ্টাব্যাপী চলে এই বাকযুদ্ধ।
এসময় বিলকিস ইসলাম বলেন, এখানে আমাকে কেন প্রধান অতিথি করা হয়নি? আর ফলকে কেন শুধু একজনের নাম লেখা হয়েছে। এই পরিদর্শন কক্ষ কি শুধু আব্দুল মুনতাকিমের?
এর প্রেক্ষিতে এমপি হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন, এটা ৩৫০ জন জাতীয় সংসদ সদস্যের। এখানে সবাই আসবেন, কাজ করবেন। কিন্তু এলাকাটা যেহেতু আমার তাই ফলকে আমার নামই থাকবে।
এমপি হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম আরও বলেন, নারী এমপিদের এলাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি। তাই তাদের জন্য পরিদর্শন কক্ষ নির্দিষ্টও নয়। একারণে এভাবে দলবল নিয়ে এসে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অবতারণা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আপনি যদি অধিকার দেখাতে চান তাহলে পরিপত্র অনুযায়ী হতে হবে। এমন কোন ডকুমেন্টস আছে কি আপনার?
এতে চটে যান মহিলা এমপি এবং হট্টগোল শুরু হয়।
এসময় বিলকিস ইসলাম বিষয়টা দেখে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ করেন এবং বলেন, আমার দল সহজ সরল হলেও আমি নই। কোন ক্ষেত্রেই ছাড় দিবো না। এটা সংসদেও উঠাবো এবং এমপিগিরি দেখাবো। আমি আমার অধিকার আদায় করে নিবো। সারাদেশে কোথায় কিভাবে কি করা হয়েছে তা আমি জানতে চাই না। সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের পরিদর্শন কক্ষে আমার স্থান দিতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহা ফাতেহা তাকমিলা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাব্বির হোসেন, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার প্রমুখ।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ভবনে পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন নিয়ে ইলেক্টেড (নির্বাচিত) ও সিলেক্টেড (মনোনীত) দুই এমপির মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে এই ঘটনায় উপস্থিতরা মুহূর্তেই হতভম্ব হয়ে পড়েন। পরে জানাজানি হয়ে পড়লে পুরো শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উদ্বোধনের সময় নাম ফলকে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিমের নাম দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সংরক্ষিত নারী সদস্য সদস্য বিলকিস ইসলাম। এতে বিষয়টা নিয়ে উভয়ের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিদর্শন কক্ষে বসেই ঘণ্টাব্যাপী চলে এই বাকযুদ্ধ।
এসময় বিলকিস ইসলাম বলেন, এখানে আমাকে কেন প্রধান অতিথি করা হয়নি? আর ফলকে কেন শুধু একজনের নাম লেখা হয়েছে। এই পরিদর্শন কক্ষ কি শুধু আব্দুল মুনতাকিমের?
এর প্রেক্ষিতে এমপি হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বলেন, এটা ৩৫০ জন জাতীয় সংসদ সদস্যের। এখানে সবাই আসবেন, কাজ করবেন। কিন্তু এলাকাটা যেহেতু আমার তাই ফলকে আমার নামই থাকবে।
এমপি হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম আরও বলেন, নারী এমপিদের এলাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি। তাই তাদের জন্য পরিদর্শন কক্ষ নির্দিষ্টও নয়। একারণে এভাবে দলবল নিয়ে এসে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অবতারণা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আপনি যদি অধিকার দেখাতে চান তাহলে পরিপত্র অনুযায়ী হতে হবে। এমন কোন ডকুমেন্টস আছে কি আপনার?
এতে চটে যান মহিলা এমপি এবং হট্টগোল শুরু হয়।
এসময় বিলকিস ইসলাম বিষয়টা দেখে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ করেন এবং বলেন, আমার দল সহজ সরল হলেও আমি নই। কোন ক্ষেত্রেই ছাড় দিবো না। এটা সংসদেও উঠাবো এবং এমপিগিরি দেখাবো। আমি আমার অধিকার আদায় করে নিবো। সারাদেশে কোথায় কিভাবে কি করা হয়েছে তা আমি জানতে চাই না। সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের পরিদর্শন কক্ষে আমার স্থান দিতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহা ফাতেহা তাকমিলা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাব্বির হোসেন, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন