মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ২৩ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ১২ জেলেকে নিয়ে ‘এফভি মায়ের দোয়া’ নামের ফিশিং বোটটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ১২ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিল। এ সময় হঠাৎ বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে সাগরে ভাসমান অবস্থায় পড়ে বিপাকে পড়েন বোটে থাকা জেলেরা।
পরে বোটটি মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এলে ২৪ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এক জেলে বোটের মালিককে ফোন করে ইঞ্জিন বিকলের বিষয়টি জানান। এরপর বোটের মালিক কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করে সহযোগিতা চান।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোস্ট গার্ড স্টেশন দুবলা থেকে একটি উদ্ধারকারী দল অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে গভীর সমুদ্রে বিকল হয়ে থাকা ফিশিং বোটটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বোটে থাকা ১২ জেলেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের প্রয়োজনীয় খাবারও সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার করা ফিশিং বোট ও জেলেদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা বলেন, সমুদ্রে বিপদে পড়া জেলেদের জরুরি সহায়তা দিতে কোস্ট গার্ডের উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ২৩ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ১২ জেলেকে নিয়ে ‘এফভি মায়ের দোয়া’ নামের ফিশিং বোটটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ১২ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিল। এ সময় হঠাৎ বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে সাগরে ভাসমান অবস্থায় পড়ে বিপাকে পড়েন বোটে থাকা জেলেরা।
পরে বোটটি মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এলে ২৪ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এক জেলে বোটের মালিককে ফোন করে ইঞ্জিন বিকলের বিষয়টি জানান। এরপর বোটের মালিক কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করে সহযোগিতা চান।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোস্ট গার্ড স্টেশন দুবলা থেকে একটি উদ্ধারকারী দল অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে গভীর সমুদ্রে বিকল হয়ে থাকা ফিশিং বোটটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বোটে থাকা ১২ জেলেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের প্রয়োজনীয় খাবারও সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধার করা ফিশিং বোট ও জেলেদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা বলেন, সমুদ্রে বিপদে পড়া জেলেদের জরুরি সহায়তা দিতে কোস্ট গার্ডের উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন