ইংলিশ ফুটবলে আবারও দেখা গেল অবাক করার মতো এক ঘটনা। ম্যাচ চলাকালীন গোলরক্ষকের দায়িত্ব নিতে হয় ট্রানমেয়ার রোভার্সের ডিফেন্ডার ববি ফকনারকে। অপ্রত্যাশিত সেই দায়িত্বই শেষ পর্যন্ত দলের এক পয়েন্ট নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পোর্ট ভেলের বিপক্ষে ম্যাচে ট্রানমেয়ারের নিয়মিত গোলরক্ষক হ্যারিসন মালে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। দলের আর কোনো বিকল্প গোলরক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ান ডিফেন্ডার ফকনার।
সে সময় ম্যাচের পরিস্থিতিও ট্রানমেয়ারের অনুকূলে ছিল না। ফকনার গোলরক্ষকের গ্লাভস হাতে নেওয়ার সময় দলটি ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। গোলরক্ষক হিসেবে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও ম্যাচের বাকি সময়ে দলকে সামলে রাখার দায়িত্ব তার ওপর পড়ে।
তবে ফকনার নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সবাইকে চমকে দেন। ৫০ মিনিটের বেশি সময় গোলপোস্টের নিচে থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। বল নিয়ন্ত্রণেও আত্মবিশ্বাস দেখান। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গোলরক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পর আর কোনো গোল হজম করেননি তিনি।
ফকনারের দৃঢ়তায় ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় ট্রানমেয়ার। শেষ পর্যন্ত সমতাসূচক গোল করে ১-১ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ করে দলটি এবং গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচের মাঝপথে ডিফেন্ডার থেকে গোলরক্ষকের ভূমিকায় নামা ফকনার শুধু দায়িত্বই পালন করেননি, দলের অন্যতম নায়কও হয়ে ওঠেন।
সূত্র: যুগান্তর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ইংলিশ ফুটবলে আবারও দেখা গেল অবাক করার মতো এক ঘটনা। ম্যাচ চলাকালীন গোলরক্ষকের দায়িত্ব নিতে হয় ট্রানমেয়ার রোভার্সের ডিফেন্ডার ববি ফকনারকে। অপ্রত্যাশিত সেই দায়িত্বই শেষ পর্যন্ত দলের এক পয়েন্ট নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পোর্ট ভেলের বিপক্ষে ম্যাচে ট্রানমেয়ারের নিয়মিত গোলরক্ষক হ্যারিসন মালে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। দলের আর কোনো বিকল্প গোলরক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ান ডিফেন্ডার ফকনার।
সে সময় ম্যাচের পরিস্থিতিও ট্রানমেয়ারের অনুকূলে ছিল না। ফকনার গোলরক্ষকের গ্লাভস হাতে নেওয়ার সময় দলটি ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। গোলরক্ষক হিসেবে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও ম্যাচের বাকি সময়ে দলকে সামলে রাখার দায়িত্ব তার ওপর পড়ে।
তবে ফকনার নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সবাইকে চমকে দেন। ৫০ মিনিটের বেশি সময় গোলপোস্টের নিচে থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। বল নিয়ন্ত্রণেও আত্মবিশ্বাস দেখান। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গোলরক্ষকের দায়িত্ব নেওয়ার পর আর কোনো গোল হজম করেননি তিনি।
ফকনারের দৃঢ়তায় ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় ট্রানমেয়ার। শেষ পর্যন্ত সমতাসূচক গোল করে ১-১ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ করে দলটি এবং গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচের মাঝপথে ডিফেন্ডার থেকে গোলরক্ষকের ভূমিকায় নামা ফকনার শুধু দায়িত্বই পালন করেননি, দলের অন্যতম নায়কও হয়ে ওঠেন।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন