প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া ৪৬ শতাংশ পরিবার গত ৩০ দিনের মধ্যে অন্তত একবার ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে বাধ্য হয়েছে। এর মধ্যে ৭ শতাংশ পরিবার একই সময়ে ১০ বারের বেশি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাত কাটিয়েছে। পাশাপাশি, অর্ধেক পরিবার অন্তত একবার সম্পূর্ণ খাদ্যশূন্য হয়ে পড়েছে।
আগস্টের খাদ্যনিরাপত্তা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাজ্জার ২১ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন মাত্র একবেলা খাবার খাচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ৩৮ শতাংশ পরিবার দৈনিক খাবারের পরিমাণ কমিয়েছে। সন্তানদের খাবার নিশ্চিত করতে ১৭ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন প্রাপ্তবয়স্কদের খাবারের অংশ কমিয়ে দিচ্ছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, বাজার থেকে খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিবেদনে এসব সমস্যার প্রধান কারণ হিসেবে নগদ অর্থের সংকট ও খাদ্যের উচ্চমূল্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া ৪৬ শতাংশ পরিবার গত ৩০ দিনের মধ্যে অন্তত একবার ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে বাধ্য হয়েছে। এর মধ্যে ৭ শতাংশ পরিবার একই সময়ে ১০ বারের বেশি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাত কাটিয়েছে। পাশাপাশি, অর্ধেক পরিবার অন্তত একবার সম্পূর্ণ খাদ্যশূন্য হয়ে পড়েছে।
আগস্টের খাদ্যনিরাপত্তা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাজ্জার ২১ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন মাত্র একবেলা খাবার খাচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ৩৮ শতাংশ পরিবার দৈনিক খাবারের পরিমাণ কমিয়েছে। সন্তানদের খাবার নিশ্চিত করতে ১৭ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন প্রাপ্তবয়স্কদের খাবারের অংশ কমিয়ে দিচ্ছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, বাজার থেকে খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিবেদনে এসব সমস্যার প্রধান কারণ হিসেবে নগদ অর্থের সংকট ও খাদ্যের উচ্চমূল্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

আপনার মতামত লিখুন