ভোলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ফকিরহাটে মাদকের ভয়াবহ বিস্তারের প্রতিবাদে এবং মাদক কারবারিদের শাস্তির দাবিতে এক বিশাল মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং মনপুরা উপজেলা বিএনপির ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিনের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে এলাকার সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ফকিরহাট কাসিমুল উলুম আশ্রাফিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে আক্ষেপ প্রকাশ করে ইউপি সদস্য মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, "আমার নিজের এলাকা ফকিরহাটেই মাদকের বড় ডিলার অবস্থান করছে, অথচ আমি তা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারছি না। বহুবার এদের ধরে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হলেও কোনো স্থায়ী ফল মেলেনি।"
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি আরও বলেন, "যে ব্যক্তি মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে পারবে, তাকে ব্যক্তিগতভাবে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরষ্কার প্রদান করা হবে।" একইসাথে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, এরপর থেকে এলাকায় কোনো মাদক কারবারি বা সেবীকে হাতেনাতে ধরতে পারলে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।
সমাবেশে ২নং হাজিরহাট ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ জামাল উদ্দিন পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে মাদকের ভয়াবহ পরিণতি এবং সামাজিক কুফল তুলে ধরে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
এছাড়া ফকিরহাট কাসিমুল উলুম আশ্রাফিয়া মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "এলাকায় কোনো মাদক কারবারিকে ধরা গেলে তাকে শারীরিক অঙ্গহানি করা হবে।" এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে তিনি প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের জোরালো ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সমাবেশ থেকে সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে যেকোনো মূল্যে ফকিরহাটসহ সমগ্র মনপুরাকে মাদকমুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
ভোলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ফকিরহাটে মাদকের ভয়াবহ বিস্তারের প্রতিবাদে এবং মাদক কারবারিদের শাস্তির দাবিতে এক বিশাল মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং মনপুরা উপজেলা বিএনপির ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিনের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে এলাকার সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ফকিরহাট কাসিমুল উলুম আশ্রাফিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে আক্ষেপ প্রকাশ করে ইউপি সদস্য মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, "আমার নিজের এলাকা ফকিরহাটেই মাদকের বড় ডিলার অবস্থান করছে, অথচ আমি তা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারছি না। বহুবার এদের ধরে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হলেও কোনো স্থায়ী ফল মেলেনি।"
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি আরও বলেন, "যে ব্যক্তি মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে পারবে, তাকে ব্যক্তিগতভাবে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরষ্কার প্রদান করা হবে।" একইসাথে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, এরপর থেকে এলাকায় কোনো মাদক কারবারি বা সেবীকে হাতেনাতে ধরতে পারলে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।
সমাবেশে ২নং হাজিরহাট ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ জামাল উদ্দিন পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে মাদকের ভয়াবহ পরিণতি এবং সামাজিক কুফল তুলে ধরে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
এছাড়া ফকিরহাট কাসিমুল উলুম আশ্রাফিয়া মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "এলাকায় কোনো মাদক কারবারিকে ধরা গেলে তাকে শারীরিক অঙ্গহানি করা হবে।" এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে তিনি প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের জোরালো ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সমাবেশ থেকে সমাজ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে যেকোনো মূল্যে ফকিরহাটসহ সমগ্র মনপুরাকে মাদকমুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন