সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাজারীবাগ বস্তি-সংলগ্ন মাঠে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এর উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য জমা দেন। পরে অস্থায়ী স্টল থেকে তাঁরা বর্জ্যের বিনিময়ে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু ও টিস্যুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি নাগরিকদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার একটি কার্যকর মডেল হতে পারে।
তিনি বলেন, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ড্রেন ও নালা-নর্দমায় ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয় এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য জমা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে একদিকে জলাবদ্ধতা কমবে, অন্যদিকে পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে।
কর্মসূচিটি ধীরে ধীরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী স্টল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সুবিধাজনক অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) কাছে পথশিশুদের জন্য চেয়ার-টেবিল ও বইয়ের ব্যবস্থা করে ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, প্রান্তিক মানুষকে শুধু সহায়তা দেওয়ার পরিবর্তে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশীদার করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় হয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে খাবার দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কেজি বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিনসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাজারীবাগ বস্তি-সংলগ্ন মাঠে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এর উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য জমা দেন। পরে অস্থায়ী স্টল থেকে তাঁরা বর্জ্যের বিনিময়ে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু ও টিস্যুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি নাগরিকদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার একটি কার্যকর মডেল হতে পারে।
তিনি বলেন, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ড্রেন ও নালা-নর্দমায় ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয় এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য জমা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে একদিকে জলাবদ্ধতা কমবে, অন্যদিকে পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে।
কর্মসূচিটি ধীরে ধীরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী স্টল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সুবিধাজনক অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) কাছে পথশিশুদের জন্য চেয়ার-টেবিল ও বইয়ের ব্যবস্থা করে ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, প্রান্তিক মানুষকে শুধু সহায়তা দেওয়ার পরিবর্তে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশীদার করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় হয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে খাবার দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কেজি বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিনসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন