প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ড্রিসকল। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তিনি পেন্টাগন ছাড়বেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ড্রিসকল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে মার্কিন সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী হয়েছে।
ড্রিসকলের পদত্যাগের পর সেনাবাহিনীতে সিনেট অনুমোদিত কোনো বেসামরিক বা সামরিক প্রধান থাকছেন না। সাবেক জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে হেগসেথ সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভ ভারপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ছয় মাস অতিক্রম করার সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে এ ধরনের নেতৃত্বের শূন্যতা নিয়ে আইনপ্রণেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে ড্রিসকল এতদিন দায়িত্বে টিকে থাকলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের সঙ্গে তাঁর বিরোধ কমেনি। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ড্রিসকলের আপত্তি সত্ত্বেও পদোন্নতির তালিকা থেকে চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা থেকেই এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।
এর আগে ড্রিসকলের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কর্নেল ডেভিড বাটলারকে বরখাস্ত করার জন্য হেগসেথ চাপ দিয়েছিলেন বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছিল। তবে ড্রিসকল সেই সিদ্ধান্ত ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন।
আধুনিকায়ন কার্যক্রমের কারণে ‘ড্রোন গাই’ নামে পরিচিত ড্রিসকল মার্কিন সেনাবাহিনীর বার্ষিক বাজেট, ১০ লাখের বেশি সেনাসদস্য এবং ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বেসামরিক কর্মচারীর দায়িত্বে ছিলেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ড্রিসকল। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তিনি পেন্টাগন ছাড়বেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ড্রিসকল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে মার্কিন সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী হয়েছে।
ড্রিসকলের পদত্যাগের পর সেনাবাহিনীতে সিনেট অনুমোদিত কোনো বেসামরিক বা সামরিক প্রধান থাকছেন না। সাবেক জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে হেগসেথ সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভ ভারপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ছয় মাস অতিক্রম করার সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে এ ধরনের নেতৃত্বের শূন্যতা নিয়ে আইনপ্রণেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে ড্রিসকল এতদিন দায়িত্বে টিকে থাকলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের সঙ্গে তাঁর বিরোধ কমেনি। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ড্রিসকলের আপত্তি সত্ত্বেও পদোন্নতির তালিকা থেকে চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা থেকেই এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।
এর আগে ড্রিসকলের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কর্নেল ডেভিড বাটলারকে বরখাস্ত করার জন্য হেগসেথ চাপ দিয়েছিলেন বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছিল। তবে ড্রিসকল সেই সিদ্ধান্ত ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন।
আধুনিকায়ন কার্যক্রমের কারণে ‘ড্রোন গাই’ নামে পরিচিত ড্রিসকল মার্কিন সেনাবাহিনীর বার্ষিক বাজেট, ১০ লাখের বেশি সেনাসদস্য এবং ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বেসামরিক কর্মচারীর দায়িত্বে ছিলেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন