কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকে এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানিসহ দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ভারতে ‘সুদর্শন’ নামে পরিচিত এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানকে প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কারণে শত্রুপক্ষের বিমান নিজস্ব আকাশসীমার মধ্যেও নিরাপদ থাকতে পারে না।
ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের প্রধান এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র জানান, এস-৪০০ ব্যবহার করে ৩১৪ কিলোমিটার দূরে থাকা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি নজরদারি বিমান ধ্বংস করা হয়েছিল। এটিই দীর্ঘতম পাল্লায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের রেকর্ড বলে তিনি জানান।
২০১৮ সালের চুক্তির আওতায় পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে ইতোমধ্যে চারটি ইউনিট ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পঞ্চম ইউনিটটি আগামী নভেম্বরের মধ্যে দেওয়ার কথা রয়েছে। নতুন চুক্তি হলে পরবর্তী ইউনিটগুলোর সরবরাহ তিন বছরের মধ্যে শুরু হতে পারে।
রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাব্য অন্যান্য বিষয়গুলোর মধ্যে এস-৪০০-এর পাশাপাশি এস-৫০০ প্রমিথিউসের যৌথ উৎপাদন, সুখোই-৫৭ই ফেলন স্টিল্থ জেট, কিলো ক্লাস সাবমেরিন, ভোরোনেঝ কৌশলগত আগাম সতর্কীকরণ রাডার এবং সুপার সুখোই-৩০ আধুনিকীকরণও রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকে এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানিসহ দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ভারতে ‘সুদর্শন’ নামে পরিচিত এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানকে প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কারণে শত্রুপক্ষের বিমান নিজস্ব আকাশসীমার মধ্যেও নিরাপদ থাকতে পারে না।
ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের প্রধান এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র জানান, এস-৪০০ ব্যবহার করে ৩১৪ কিলোমিটার দূরে থাকা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি নজরদারি বিমান ধ্বংস করা হয়েছিল। এটিই দীর্ঘতম পাল্লায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের রেকর্ড বলে তিনি জানান।
২০১৮ সালের চুক্তির আওতায় পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে ইতোমধ্যে চারটি ইউনিট ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পঞ্চম ইউনিটটি আগামী নভেম্বরের মধ্যে দেওয়ার কথা রয়েছে। নতুন চুক্তি হলে পরবর্তী ইউনিটগুলোর সরবরাহ তিন বছরের মধ্যে শুরু হতে পারে।
রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাব্য অন্যান্য বিষয়গুলোর মধ্যে এস-৪০০-এর পাশাপাশি এস-৫০০ প্রমিথিউসের যৌথ উৎপাদন, সুখোই-৫৭ই ফেলন স্টিল্থ জেট, কিলো ক্লাস সাবমেরিন, ভোরোনেঝ কৌশলগত আগাম সতর্কীকরণ রাডার এবং সুপার সুখোই-৩০ আধুনিকীকরণও রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন