বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে ম্যাচ পাতানো ও দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তিন সাবেক কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি। অভিযুক্তরা হলেন—বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম), সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও) জাকির হোসাইন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও সাবেক অডিট কমিটির সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।
বিসিবি জানায়, বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির ২০২৪ সালের অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রযোজ্য অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল বা ম্যাচের অগ্রগতি প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে কাউকে উৎসাহ বা সহায়তা করা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানো।
মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমানের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। জাকির হোসাইনের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪ ও ২.৪.৬ ধারা এবং রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবির ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত তিনজনকেই সাময়িকভাবে (প্রভিশনালি) বরখাস্ত করা হয়েছে। নোটিশ অব চার্জ পাওয়ার পর নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন।
অভিযোগের জবাব পাওয়ার পর আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোড অনুযায়ী পরবর্তী শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
বিসিবি জানিয়েছে, এ বিষয়ে আপাতত আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে ম্যাচ পাতানো ও দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তিন সাবেক কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি। অভিযুক্তরা হলেন—বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম), সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও) জাকির হোসাইন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও সাবেক অডিট কমিটির সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।
বিসিবি জানায়, বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির ২০২৪ সালের অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রযোজ্য অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল বা ম্যাচের অগ্রগতি প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে কাউকে উৎসাহ বা সহায়তা করা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানো।
মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমানের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। জাকির হোসাইনের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪ ও ২.৪.৬ ধারা এবং রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবির ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত তিনজনকেই সাময়িকভাবে (প্রভিশনালি) বরখাস্ত করা হয়েছে। নোটিশ অব চার্জ পাওয়ার পর নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন।
অভিযোগের জবাব পাওয়ার পর আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোড অনুযায়ী পরবর্তী শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
বিসিবি জানিয়েছে, এ বিষয়ে আপাতত আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

আপনার মতামত লিখুন