রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক বক্তব্যে জোলফাগারি বলেন, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী।
ইরানের এই সামরিক মুখপাত্রের দাবি, এসব হামলার ফলে মার্কিন অবকাঠামো, বিভিন্ন স্থাপনা, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মার্কিন কমান্ডার ও সেনা নিহত কিংবা আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে ইরানের এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক মার্কিন কর্মকর্তা ইরানে বড় ধরনের মার্কিন হতাহতের দাবি নাকচ করেছেন।
জোলফাগারি বলেন, ‘আমেরিকানদের বিরুদ্ধে এসব আক্রমণাত্মক অভিযান চলতে থাকবে, যতক্ষণ না তারা তাদের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়।’ তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ আরও ‘ভারী, বিস্তৃত ও ধ্বংসাত্মক’ হবে।
এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার পর এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর পাল্টা হিসেবে জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।
জোলফাগারি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডে যেসব দেশ সহযোগিতা করবে, তাদেরও এর ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। এর ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক বক্তব্যে জোলফাগারি বলেন, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী।
ইরানের এই সামরিক মুখপাত্রের দাবি, এসব হামলার ফলে মার্কিন অবকাঠামো, বিভিন্ন স্থাপনা, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মার্কিন কমান্ডার ও সেনা নিহত কিংবা আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে ইরানের এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক মার্কিন কর্মকর্তা ইরানে বড় ধরনের মার্কিন হতাহতের দাবি নাকচ করেছেন।
জোলফাগারি বলেন, ‘আমেরিকানদের বিরুদ্ধে এসব আক্রমণাত্মক অভিযান চলতে থাকবে, যতক্ষণ না তারা তাদের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়।’ তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ আরও ‘ভারী, বিস্তৃত ও ধ্বংসাত্মক’ হবে।
এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার পর এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর পাল্টা হিসেবে জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।
জোলফাগারি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডে যেসব দেশ সহযোগিতা করবে, তাদেরও এর ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। এর ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন