মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচি উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কওমি আলেম মুফতি আবুল কালাম আজাদ মাদানীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির আবারও বলেন, ‘আমরা কওমিকে আলাদা মনে করি না। তাদের অধিকারের পক্ষে আমাদের বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে সংসদে কথা বলে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস করা হবে না। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজ থেকে অন্যায়, অনাচার এবং বৈষম্য দূর করার চেষ্টা করা হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী আপসহীন অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ অপমান করলেও আমরা কাউকে অপমান করে কথা বলি না, ভবিষ্যতেও বলব না।’
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়েও অনেক অবুঝ মানুষ বিভিন্ন মন্তব্য করেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আল্লাহ যাকে মর্যাদা দেন, তাকে দুনিয়ার কোনো মানুষ অসম্মানিত করতে পারে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তলোয়ারের আঘাতের দাগ সময়ের সঙ্গে মুছে যেতে পারে, কিন্তু মুখের কথার আঘাতের ক্ষত সহজে মুছে যায় না। সেই দাগ থেকে যায়।’ যারা তাকে কষ্ট দেন, তাদের প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্ষমা করে দেন বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘আমি মানুষকে ক্ষমা করি ক্ষমা পাওয়ার আশায়।’
অনুষ্ঠানে সাবেক বিচারপতি, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, কওমি আলেম এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী মিলিয়ে ৬৫০ জন জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। জামায়াত আমির তাদের ফুল ও ইসলামিক বই উপহার দিয়ে স্বাগত জানান।
সূত্র: এনপিবি

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচি উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কওমি আলেম মুফতি আবুল কালাম আজাদ মাদানীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির আবারও বলেন, ‘আমরা কওমিকে আলাদা মনে করি না। তাদের অধিকারের পক্ষে আমাদের বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে সংসদে কথা বলে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস করা হবে না। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজ থেকে অন্যায়, অনাচার এবং বৈষম্য দূর করার চেষ্টা করা হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী আপসহীন অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ অপমান করলেও আমরা কাউকে অপমান করে কথা বলি না, ভবিষ্যতেও বলব না।’
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়েও অনেক অবুঝ মানুষ বিভিন্ন মন্তব্য করেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আল্লাহ যাকে মর্যাদা দেন, তাকে দুনিয়ার কোনো মানুষ অসম্মানিত করতে পারে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তলোয়ারের আঘাতের দাগ সময়ের সঙ্গে মুছে যেতে পারে, কিন্তু মুখের কথার আঘাতের ক্ষত সহজে মুছে যায় না। সেই দাগ থেকে যায়।’ যারা তাকে কষ্ট দেন, তাদের প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্ষমা করে দেন বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘আমি মানুষকে ক্ষমা করি ক্ষমা পাওয়ার আশায়।’
অনুষ্ঠানে সাবেক বিচারপতি, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, কওমি আলেম এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী মিলিয়ে ৬৫০ জন জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। জামায়াত আমির তাদের ফুল ও ইসলামিক বই উপহার দিয়ে স্বাগত জানান।
সূত্র: এনপিবি

আপনার মতামত লিখুন