২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করেছিল ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। শুরুতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী সময়ে ইরানকে কেন্দ্র করে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালিত হওয়ায় রণতরিটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। পুরো মোতায়েনের সময়ে রণতরিটি প্রায় ২৮৬ দিন দায়িত্ব পালন করেছে। এর মধ্যে ২৫০ দিনেরও বেশি সময় কোনো বন্দরে না থেমে সমুদ্রে কাটিয়েছে।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের কারণে রণতরিটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন এবং খাবারসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জামের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের পুরো সময়ে নাবিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
থাইল্যান্ডে অবস্থানকালে রণতরিটির প্রায় ৫ হাজার সদস্যকে তীরে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। লায়েম চাবাং বন্দরের কাছের পর্যটন শহর পাত্তায়ায় মার্কিন নাবিকদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
তবে মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা এবং আচরণ নিশ্চিত করতে থাই কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য স্থানীয় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় মার্কিন সেনাসদস্যদের প্রবেশে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর আরও দুটি জাহাজসহ রণতরিটি ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে অবস্থান করার কথা রয়েছে। সফরকালে থাই বাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা নেই। নাবিকদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি, বিবিসি

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করেছিল ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। শুরুতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী সময়ে ইরানকে কেন্দ্র করে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালিত হওয়ায় রণতরিটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। পুরো মোতায়েনের সময়ে রণতরিটি প্রায় ২৮৬ দিন দায়িত্ব পালন করেছে। এর মধ্যে ২৫০ দিনেরও বেশি সময় কোনো বন্দরে না থেমে সমুদ্রে কাটিয়েছে।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের কারণে রণতরিটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন এবং খাবারসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জামের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের পুরো সময়ে নাবিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
থাইল্যান্ডে অবস্থানকালে রণতরিটির প্রায় ৫ হাজার সদস্যকে তীরে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। লায়েম চাবাং বন্দরের কাছের পর্যটন শহর পাত্তায়ায় মার্কিন নাবিকদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
তবে মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা এবং আচরণ নিশ্চিত করতে থাই কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। এ জন্য স্থানীয় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় মার্কিন সেনাসদস্যদের প্রবেশে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর আরও দুটি জাহাজসহ রণতরিটি ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে অবস্থান করার কথা রয়েছে। সফরকালে থাই বাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা নেই। নাবিকদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি, বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন