মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে বলেন, ইসরায়েলের বসতি নীতির বিষয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সরকার একটি ‘সমন্বিত’ পদক্ষেপের প্যাকেজ ঘোষণা করবে। তার ভাষ্য, ই-১ প্রকল্প পশ্চিম তীরের মধ্যাঞ্চল দিয়ে বিস্তৃত হয়ে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে হুমকির মধ্যে ফেলছে। একই সঙ্গে এটি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও দুর্বল করতে পারে।
মিলিব্যান্ড জানান, পশ্চিম তীরে নতুন ইসরায়েলি বসতি নির্মাণে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো যাতে অর্থায়ন, নির্মাণকাজে অংশগ্রহণ কিংবা প্রচার-প্রচারণায় যুক্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি বসতি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা'আর সতর্ক করে বলেছেন, ব্রিটেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে তেল আবিবও তার জবাব দেবে। তার বক্তব্য, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ব্রিটেনকেও এর পরিণতি মোকাবিলা করতে হবে।
ব্রিটিশ সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি জানিয়েছেন, বসতি-সংশ্লিষ্ট পণ্য বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে ব্রিটিশ সরকার ই-১ প্রকল্পকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা জানিয়েছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এই প্রকল্প পশ্চিম তীরকে বিভক্ত করে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সম্প্রতি ইসরায়েল ই-১ এলাকায় বসতি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। ব্রিটেনসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা জানিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের মতে, ই-১ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের মধ্যকার ভৌগোলিক সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে বলেন, ইসরায়েলের বসতি নীতির বিষয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সরকার একটি ‘সমন্বিত’ পদক্ষেপের প্যাকেজ ঘোষণা করবে। তার ভাষ্য, ই-১ প্রকল্প পশ্চিম তীরের মধ্যাঞ্চল দিয়ে বিস্তৃত হয়ে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে হুমকির মধ্যে ফেলছে। একই সঙ্গে এটি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও দুর্বল করতে পারে।
মিলিব্যান্ড জানান, পশ্চিম তীরে নতুন ইসরায়েলি বসতি নির্মাণে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো যাতে অর্থায়ন, নির্মাণকাজে অংশগ্রহণ কিংবা প্রচার-প্রচারণায় যুক্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি বসতি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা'আর সতর্ক করে বলেছেন, ব্রিটেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে তেল আবিবও তার জবাব দেবে। তার বক্তব্য, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ব্রিটেনকেও এর পরিণতি মোকাবিলা করতে হবে।
ব্রিটিশ সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি জানিয়েছেন, বসতি-সংশ্লিষ্ট পণ্য বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে ব্রিটিশ সরকার ই-১ প্রকল্পকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা জানিয়েছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এই প্রকল্প পশ্চিম তীরকে বিভক্ত করে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সম্প্রতি ইসরায়েল ই-১ এলাকায় বসতি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। ব্রিটেনসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা জানিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের মতে, ই-১ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের মধ্যকার ভৌগোলিক সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান

আপনার মতামত লিখুন