রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চেক জালিয়াতি, জাল সিল-স্বাক্ষর ব্যবহার ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মুশফিকুর রহমান শাহিন সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাহিন সরকারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার শাহিন সরকার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের চব্বিশনগর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি চব্বিশনগর গ্রামের জামে মসজিদের ওয়াকফ স্টেটের মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহিন সরকার গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সিল ও স্বাক্ষর জাল করার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ অভিযুক্ত শাহিন সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানের অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে জাল সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তাই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া শাহিন সরকারকে আইনগতভাবে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চেক জালিয়াতি, জাল সিল-স্বাক্ষর ব্যবহার ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মুশফিকুর রহমান শাহিন সরকার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাহিন সরকারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার শাহিন সরকার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের চব্বিশনগর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি চব্বিশনগর গ্রামের জামে মসজিদের ওয়াকফ স্টেটের মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহিন সরকার গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সিল ও স্বাক্ষর জাল করার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ অভিযুক্ত শাহিন সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানের অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে জাল সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তাই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া শাহিন সরকারকে আইনগতভাবে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন