ঢাকা    বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

চীনে ঝুঁকি বাড়ায় ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে জাপানি কোম্পানিগুলো

চীনে ঝুঁকি বাড়ায় ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে জাপানি কোম্পানিগুলো
চীনে ঝুঁকি বাড়ায় ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে জাপানি কোম্পানিগুলো

চীনের বাজার ও সরবরাহব্যবস্থাকে ঘিরে ঝুঁকি বাড়তে থাকায় ভারতে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী হয়ে উঠছে জাপানের বড় বড় কোম্পানি। জাপানের অভ্যন্তরীণ বাজারের ক্রমাগত সংকোচনের পাশাপাশি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জও দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভারতের দিকে মনোযোগী করছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

গত সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জাপান সফরে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও জোরদার করা।

ভারতের মুম্বাই, দিল্লি ও বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন শপিংমল এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জাপানি ভোক্তা ব্র্যান্ডের উপস্থিতি দ্রুত বাড়ছে। ইউনিক্লো, মুজি ও ওনিতসুকা টাইগার বেশ কিছুদিন ধরেই ভারতের বাজারে রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণের গতি বেড়েছে। জাপানি আসবাব নির্মাতা নিটোরিও সম্প্রতি ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে কনভেনিয়েন্স স্টোর চেইন লসন ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে ১০ হাজার দোকান খোলার পরিকল্পনা করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যাংকিং ও প্রযুক্তি খাতেও আগ্রহ

শুধু খুচরা বাজারে নয়, ভারতের আর্থিক খাতেও জাপানি ব্যাংকগুলোর আগ্রহ বাড়ছে। জাপানের বৃহত্তম ব্যাংক এমইউএফজি গত বছর ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ভারতের শ্রীরাম ফাইন্যান্সের ২০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে। একই সময়ে সুমিতোমো মিৎসুই ব্যাংকিং করপোরেশন (এসএমবিসি) ইয়েস ব্যাংকের ২৪ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার কিনে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডারে পরিণত হয়েছে।

ভারতের গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (জিসিসি) খাতেও জাপানি কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। ডেলয়েটের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ১০০টির বেশি জাপানি প্রতিষ্ঠান জিসিসি পরিচালনা করছে। এসব কেন্দ্র গবেষণা ও উন্নয়ন, করপোরেট কৌশল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কেন ভারতের দিকে নজর জাপানের

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাপানের জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারও স্থায়ীভাবে ছোট হয়ে আসছে। পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে চীনে বিনিয়োগ কমেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক ও অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা বেড়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশের বাজারও তুলনামূলকভাবে ছোট। ফলে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে ভারতের বাজার জাপানি কোম্পানিগুলোর কাছে ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

গত এক দশকে জাপান ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ‘বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারত্ব’-এর পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। এর আওতায় ভারতে জাপানি কোম্পানির সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের মতো বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বড় বিনিয়োগের ঘোষণা

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি কোম্পানিগুলোও জাপানের বিনিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জুলাইয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রথম সরকারি দিল্লি সফরের সময় জাপানি কোম্পানিগুলো ভারতে ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়। সেমিকন্ডাক্টর থেকে সবুজ জ্বালানি পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে প্রায় ১২০টি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর অর্থ এই নয় যে জাপানি কোম্পানিগুলো এখনই চীন থেকে ব্যবসা গুটিয়ে ভারতে চলে আসছে। বরং কয়েক বছর ধরে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার পর তারা কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমাতে চাইছে। সেই কৌশলের অংশ হিসেবে চীনের বিকল্প বাজার হিসেবে ভারত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ভারতের জন্যও জাপানি বিনিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ভারতের বাড়তে থাকা বাণিজ্য ঘাটতির প্রেক্ষাপটে জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও উন্নত উৎপাদন খাতে চীনের প্রভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ব্যবসা সম্প্রসারণে চ্যালেঞ্জ

তবে ভারতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে করব্যবস্থার অনিশ্চয়তা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং জমি ও পরিবেশগত অনুমোদন পেতে বিলম্বের মতো বাধা রয়েছে। বুলেট ট্রেন প্রকল্পের বিলম্ব নিয়েও অতীতে জাপানের এক সাবেক মন্ত্রী ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। যদিও ভারত সরকার ওই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানি বিনিয়োগের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভারতকে ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ ও স্থিতিশীল করতে হবে। অন্য উৎস থেকে দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে ভারতের চ্যালেঞ্জ বাড়তে থাকায় জাপানি পুঁজির ধারাবাহিক প্রবাহ দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চীনে ঝুঁকি বাড়ায় ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে জাপানি কোম্পানিগুলো

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চীনের বাজার ও সরবরাহব্যবস্থাকে ঘিরে ঝুঁকি বাড়তে থাকায় ভারতে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী হয়ে উঠছে জাপানের বড় বড় কোম্পানি। জাপানের অভ্যন্তরীণ বাজারের ক্রমাগত সংকোচনের পাশাপাশি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জও দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভারতের দিকে মনোযোগী করছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

গত সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জাপান সফরে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও জোরদার করা।

ভারতের মুম্বাই, দিল্লি ও বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন শপিংমল এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জাপানি ভোক্তা ব্র্যান্ডের উপস্থিতি দ্রুত বাড়ছে। ইউনিক্লো, মুজি ও ওনিতসুকা টাইগার বেশ কিছুদিন ধরেই ভারতের বাজারে রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণের গতি বেড়েছে। জাপানি আসবাব নির্মাতা নিটোরিও সম্প্রতি ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে কনভেনিয়েন্স স্টোর চেইন লসন ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে ১০ হাজার দোকান খোলার পরিকল্পনা করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যাংকিং ও প্রযুক্তি খাতেও আগ্রহ

শুধু খুচরা বাজারে নয়, ভারতের আর্থিক খাতেও জাপানি ব্যাংকগুলোর আগ্রহ বাড়ছে। জাপানের বৃহত্তম ব্যাংক এমইউএফজি গত বছর ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ভারতের শ্রীরাম ফাইন্যান্সের ২০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে। একই সময়ে সুমিতোমো মিৎসুই ব্যাংকিং করপোরেশন (এসএমবিসি) ইয়েস ব্যাংকের ২৪ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার কিনে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডারে পরিণত হয়েছে।

ভারতের গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (জিসিসি) খাতেও জাপানি কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। ডেলয়েটের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ১০০টির বেশি জাপানি প্রতিষ্ঠান জিসিসি পরিচালনা করছে। এসব কেন্দ্র গবেষণা ও উন্নয়ন, করপোরেট কৌশল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কেন ভারতের দিকে নজর জাপানের

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাপানের জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারও স্থায়ীভাবে ছোট হয়ে আসছে। পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে চীনে বিনিয়োগ কমেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক ও অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা বেড়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশের বাজারও তুলনামূলকভাবে ছোট। ফলে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে ভারতের বাজার জাপানি কোম্পানিগুলোর কাছে ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

গত এক দশকে জাপান ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ‘বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারত্ব’-এর পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। এর আওতায় ভারতে জাপানি কোম্পানির সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের মতো বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বড় বিনিয়োগের ঘোষণা

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি কোম্পানিগুলোও জাপানের বিনিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জুলাইয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রথম সরকারি দিল্লি সফরের সময় জাপানি কোম্পানিগুলো ভারতে ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়। সেমিকন্ডাক্টর থেকে সবুজ জ্বালানি পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে প্রায় ১২০টি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর অর্থ এই নয় যে জাপানি কোম্পানিগুলো এখনই চীন থেকে ব্যবসা গুটিয়ে ভারতে চলে আসছে। বরং কয়েক বছর ধরে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার পর তারা কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমাতে চাইছে। সেই কৌশলের অংশ হিসেবে চীনের বিকল্প বাজার হিসেবে ভারত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ভারতের জন্যও জাপানি বিনিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ভারতের বাড়তে থাকা বাণিজ্য ঘাটতির প্রেক্ষাপটে জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও উন্নত উৎপাদন খাতে চীনের প্রভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ব্যবসা সম্প্রসারণে চ্যালেঞ্জ

তবে ভারতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে করব্যবস্থার অনিশ্চয়তা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং জমি ও পরিবেশগত অনুমোদন পেতে বিলম্বের মতো বাধা রয়েছে। বুলেট ট্রেন প্রকল্পের বিলম্ব নিয়েও অতীতে জাপানের এক সাবেক মন্ত্রী ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। যদিও ভারত সরকার ওই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানি বিনিয়োগের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভারতকে ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ ও স্থিতিশীল করতে হবে। অন্য উৎস থেকে দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে ভারতের চ্যালেঞ্জ বাড়তে থাকায় জাপানি পুঁজির ধারাবাহিক প্রবাহ দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: বিবিসি


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
চীনে ঝুঁকি বাড়ায় ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে জাপানি কোম্পানিগুলো
0:00 0:00
1.0x