খুজেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক উপ-গভর্নর জানিয়েছেন, প্রদেশটির তিনটি স্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।
এদিকে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক শহরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) হামলার চেষ্টার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এর জন্য ‘অনুতপ্ত’ হতে হবে। একই সময়ে কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান পাল্টা হামলা চালালে দেশটিকে আরও ‘কঠোর ও উচ্চমাত্রার’ হামলার মুখোমুখি হতে হবে।
চলমান সংঘাতের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে ব্যাপক হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছিল। তবে সেই সমঝোতার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিলে তেহরানও একই পথে এগোতে প্রস্তুত।
সূত্র: বিবিসি ও আল-জাজিরা

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খুজেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক উপ-গভর্নর জানিয়েছেন, প্রদেশটির তিনটি স্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।
এদিকে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক শহরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) হামলার চেষ্টার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এর জন্য ‘অনুতপ্ত’ হতে হবে। একই সময়ে কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান পাল্টা হামলা চালালে দেশটিকে আরও ‘কঠোর ও উচ্চমাত্রার’ হামলার মুখোমুখি হতে হবে।
চলমান সংঘাতের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে ব্যাপক হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছিল। তবে সেই সমঝোতার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিলে তেহরানও একই পথে এগোতে প্রস্তুত।
সূত্র: বিবিসি ও আল-জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন