বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন চলাকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করার লক্ষ্যে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) মাধ্যমে একটি সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। পিআইডির প্রধান কার্যালয়ে গঠিত ‘ফ্যাক্টচেকিং ও গুজব প্রতিরোধ কমিটি’ সার্বক্ষণিকভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী পিআইডির প্রধান কার্যালয় এবং বিভাগীয় শহরগুলোর আঞ্চলিক তথ্য অফিসগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করছে। কোনো অপতথ্য বা গুজব শনাক্ত হওয়ার পরপরই সরকারি ফ্যাক্টচেক বার্তা ও স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্য সংস্থা পিআইবিও গুজব প্রতিরোধে ফ্যাক্টচেকিং ও মিডিয়া অ্যানালাইসিস কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
সংসদে দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, পিআইবির ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট বাংলাফ্যাক্ট এখন পর্যন্ত ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং ভিডিও বা রিল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ৩০৬টি ফ্যাক্টচেক সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে ইউনিটটি প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫টি দাবির সত্যতা যাচাই করছে। যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেদন ও ভিডিও কনটেন্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করা হয়েছে এবং মিথ্যা তথ্যের বিপরীতে সঠিক সরকারি তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ভুয়া অনলাইন অ্যাকাউন্ট ও পেজ শনাক্তের পাশাপাশি সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মশালার মাধ্যমে পিআইবি ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০টি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৭৩৯ জন সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১৪টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা ছিল ডিজিটাল সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ফ্যাক্টচেকিং বিষয়ে।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন চলাকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করার লক্ষ্যে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) মাধ্যমে একটি সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। পিআইডির প্রধান কার্যালয়ে গঠিত ‘ফ্যাক্টচেকিং ও গুজব প্রতিরোধ কমিটি’ সার্বক্ষণিকভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী পিআইডির প্রধান কার্যালয় এবং বিভাগীয় শহরগুলোর আঞ্চলিক তথ্য অফিসগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করছে। কোনো অপতথ্য বা গুজব শনাক্ত হওয়ার পরপরই সরকারি ফ্যাক্টচেক বার্তা ও স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্য সংস্থা পিআইবিও গুজব প্রতিরোধে ফ্যাক্টচেকিং ও মিডিয়া অ্যানালাইসিস কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
সংসদে দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, পিআইবির ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট বাংলাফ্যাক্ট এখন পর্যন্ত ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং ভিডিও বা রিল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ৩০৬টি ফ্যাক্টচেক সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে ইউনিটটি প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫টি দাবির সত্যতা যাচাই করছে। যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেদন ও ভিডিও কনটেন্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করা হয়েছে এবং মিথ্যা তথ্যের বিপরীতে সঠিক সরকারি তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ভুয়া অনলাইন অ্যাকাউন্ট ও পেজ শনাক্তের পাশাপাশি সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মশালার মাধ্যমে পিআইবি ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০টি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৭৩৯ জন সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১৪টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা ছিল ডিজিটাল সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ফ্যাক্টচেকিং বিষয়ে।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

আপনার মতামত লিখুন