জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এ বছর সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে সরকারি ছুটির সংখ্যা ছিল ২৮ দিন। পরে সরকার ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পুনর্বহাল করে দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। এতে বছরের মোট সরকারি ছুটির সংখ্যা আরও বেড়েছে।
সেপ্টেম্বরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৪ সেপ্টেম্বর সরকারি ছুটি থাকবে। দিনটি শুক্রবার হওয়ায় এটি সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে। ফলে এই ছুটির জন্য চাকরিজীবীরা অতিরিক্ত কোনো কর্মদিবসের ছুটি পাবেন না।
অক্টোবরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুটি সরকারি ছুটি রয়েছে। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে। দুটি দিনই কর্মদিবস হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা উভয় দিন ছুটি পাবেন।
বছরের বাকি ছুটির তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে ৭ নভেম্বর। ঐতিহাসিক এই দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে সরকার পুনর্বহাল করেছে এবং এ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিবছর দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হবে।
তবে ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর শনিবার। ফলে এই ছুটিও সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সঙ্গে মিলে গেছে। তাই এ দিনের জন্য অতিরিক্ত কোনো কর্মদিবসের ছুটি পাওয়া যাবে না।
বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে সরকারি ছুটি রয়েছে দুটি। ১৬ ডিসেম্বর বুধবার মহান বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন) উপলক্ষে ছুটি থাকবে।
এর মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর কর্মদিবসে পড়েছে। অন্যদিকে ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার হওয়ায় বড়দিনের ছুটির জন্য অতিরিক্ত কোনো কর্মদিবসের ছুটি পাওয়া যাবে না।
| তারিখ | বার | উপলক্ষ | অবস্থা |
|---|---|---|---|
| ৪ সেপ্টেম্বর | শুক্রবার | জন্মাষ্টমী | সাপ্তাহিক ছুটি |
| ২০ অক্টোবর | মঙ্গলবার | দুর্গাপূজা নবমী | কর্মদিবস |
| ২১ অক্টোবর | বুধবার | বিজয়া দশমী | কর্মদিবস |
| ৭ নভেম্বর | শনিবার | জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস | সাপ্তাহিক ছুটি |
| ১৬ ডিসেম্বর | বুধবার | বিজয় দিবস | কর্মদিবস |
| ২৫ ডিসেম্বর | শুক্রবার | বড়দিন | সাপ্তাহিক ছুটি |
অর্থাৎ, বছরের শেষ চার মাসে সরকারি ছুটি মোট ছয় দিন হলেও কর্মদিবসে ছুটি পাওয়া যাবে মাত্র তিন দিন। এই তিন দিন হলো ২০ ও ২১ অক্টোবর এবং ১৬ ডিসেম্বর।
এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি ছুটির তালিকা’ দেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য প্রযোজ্য। ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপনেও এসব প্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই সব বেসরকারি চাকরিজীবী স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ছয় দিনের ছুটি পাবেন—এমন নয়। বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ছুটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন, শ্রম আইন এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ হিসেবে, ২০২৬ সালে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসের বন্ধ বা খোলা থাকার বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল।
অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সামনে থাকা ছয় দিনের ছুটি নিশ্চিত হলেও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং প্রযোজ্য বিধানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
সূত্র: কালবেলা/কেএইচআর/এসএ/খান

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এ বছর সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে সরকারি ছুটির সংখ্যা ছিল ২৮ দিন। পরে সরকার ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পুনর্বহাল করে দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। এতে বছরের মোট সরকারি ছুটির সংখ্যা আরও বেড়েছে।
সেপ্টেম্বরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৪ সেপ্টেম্বর সরকারি ছুটি থাকবে। দিনটি শুক্রবার হওয়ায় এটি সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে। ফলে এই ছুটির জন্য চাকরিজীবীরা অতিরিক্ত কোনো কর্মদিবসের ছুটি পাবেন না।
অক্টোবরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুটি সরকারি ছুটি রয়েছে। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে। দুটি দিনই কর্মদিবস হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা উভয় দিন ছুটি পাবেন।
বছরের বাকি ছুটির তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে ৭ নভেম্বর। ঐতিহাসিক এই দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে সরকার পুনর্বহাল করেছে এবং এ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিবছর দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হবে।
তবে ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর শনিবার। ফলে এই ছুটিও সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সঙ্গে মিলে গেছে। তাই এ দিনের জন্য অতিরিক্ত কোনো কর্মদিবসের ছুটি পাওয়া যাবে না।
বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে সরকারি ছুটি রয়েছে দুটি। ১৬ ডিসেম্বর বুধবার মহান বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন) উপলক্ষে ছুটি থাকবে।
এর মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর কর্মদিবসে পড়েছে। অন্যদিকে ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার হওয়ায় বড়দিনের ছুটির জন্য অতিরিক্ত কোনো কর্মদিবসের ছুটি পাওয়া যাবে না।
| তারিখ | বার | উপলক্ষ | অবস্থা |
|---|---|---|---|
| ৪ সেপ্টেম্বর | শুক্রবার | জন্মাষ্টমী | সাপ্তাহিক ছুটি |
| ২০ অক্টোবর | মঙ্গলবার | দুর্গাপূজা নবমী | কর্মদিবস |
| ২১ অক্টোবর | বুধবার | বিজয়া দশমী | কর্মদিবস |
| ৭ নভেম্বর | শনিবার | জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস | সাপ্তাহিক ছুটি |
| ১৬ ডিসেম্বর | বুধবার | বিজয় দিবস | কর্মদিবস |
| ২৫ ডিসেম্বর | শুক্রবার | বড়দিন | সাপ্তাহিক ছুটি |
অর্থাৎ, বছরের শেষ চার মাসে সরকারি ছুটি মোট ছয় দিন হলেও কর্মদিবসে ছুটি পাওয়া যাবে মাত্র তিন দিন। এই তিন দিন হলো ২০ ও ২১ অক্টোবর এবং ১৬ ডিসেম্বর।
এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি ছুটির তালিকা’ দেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য প্রযোজ্য। ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপনেও এসব প্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই সব বেসরকারি চাকরিজীবী স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ছয় দিনের ছুটি পাবেন—এমন নয়। বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ছুটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন, শ্রম আইন এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
উদাহরণ হিসেবে, ২০২৬ সালে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসের বন্ধ বা খোলা থাকার বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল।
অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সামনে থাকা ছয় দিনের ছুটি নিশ্চিত হলেও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং প্রযোজ্য বিধানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
সূত্র: কালবেলা/কেএইচআর/এসএ/খান

আপনার মতামত লিখুন