স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার যুক্তরাষ্ট্রে ছয় বছর অবস্থানের পর সম্প্রতি হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান—ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স—ব্রিটেনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। আগস্টের শেষ দিকে তারা যুক্তরাজ্যে পৌঁছান।
এর আগে ২০২০ সালে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে হ্যারি ও মেগান যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতে খুশি। আমি তাদের ভক্ত ছিলাম না।’ তার ভাষ্য, রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হ্যারি ও মেগান ‘ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ’ করেছেন।
এ সময় প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে তার সুসম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মেগানের আচরণ নিয়েও সরাসরি মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি তার আচরণ পছন্দ করিনি। আমার মনে হয়েছে, সে ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ করেছে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি যদি রাজপরিবারের সদস্য হতাম, তাহলে তাদের ফিরিয়ে নিতাম না।’
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে হ্যারি রাজপরিবারের কাছ থেকে অবহেলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। অন্যদিকে মেগান অভিযোগ করেছিলেন, তাদের সন্তান জন্মের আগে রাজপরিবারের মধ্যে শিশুটির গায়ের রং কতটা কালো হতে পারে, তা নিয়ে ‘উদ্বেগ ও আলোচনা’ হয়েছিল।
হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম এসব অভিযোগের পর রাজপরিবারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা বর্ণবাদী নই।’
হ্যারি আরও জানিয়েছিলেন, সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত নজরদারি এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ সরকারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকাও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল।
ব্রিটেনে ফিরে হ্যারি ও মেগান আপাতত রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত মাসে তাদের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য লন্ডনের বাইরে কোনো এলাকায় বসবাসের পরিকল্পনা করছেন তারা। তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেট ব্রিটেনেই স্কুলে পড়বে।
হ্যারি-মেগান কেন আবার ব্রিটেনে ফিরেছেন, সেটি পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে হ্যারি এর আগে জানিয়েছিলেন, তিনি চান তার সন্তানরা ব্রিটেনে আরও বেশি সময় কাটাক।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার যুক্তরাষ্ট্রে ছয় বছর অবস্থানের পর সম্প্রতি হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান—ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স—ব্রিটেনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। আগস্টের শেষ দিকে তারা যুক্তরাজ্যে পৌঁছান।
এর আগে ২০২০ সালে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে হ্যারি ও মেগান যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতে খুশি। আমি তাদের ভক্ত ছিলাম না।’ তার ভাষ্য, রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হ্যারি ও মেগান ‘ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ’ করেছেন।
এ সময় প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে তার সুসম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মেগানের আচরণ নিয়েও সরাসরি মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি তার আচরণ পছন্দ করিনি। আমার মনে হয়েছে, সে ভীষণ অসম্মানজনক আচরণ করেছে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি যদি রাজপরিবারের সদস্য হতাম, তাহলে তাদের ফিরিয়ে নিতাম না।’
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে হ্যারি রাজপরিবারের কাছ থেকে অবহেলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। অন্যদিকে মেগান অভিযোগ করেছিলেন, তাদের সন্তান জন্মের আগে রাজপরিবারের মধ্যে শিশুটির গায়ের রং কতটা কালো হতে পারে, তা নিয়ে ‘উদ্বেগ ও আলোচনা’ হয়েছিল।
হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম এসব অভিযোগের পর রাজপরিবারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা বর্ণবাদী নই।’
হ্যারি আরও জানিয়েছিলেন, সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত নজরদারি এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ সরকারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকাও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল।
ব্রিটেনে ফিরে হ্যারি ও মেগান আপাতত রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত মাসে তাদের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য লন্ডনের বাইরে কোনো এলাকায় বসবাসের পরিকল্পনা করছেন তারা। তাদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেট ব্রিটেনেই স্কুলে পড়বে।
হ্যারি-মেগান কেন আবার ব্রিটেনে ফিরেছেন, সেটি পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে হ্যারি এর আগে জানিয়েছিলেন, তিনি চান তার সন্তানরা ব্রিটেনে আরও বেশি সময় কাটাক।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি

আপনার মতামত লিখুন