বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব দাবি করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরও মির্জা আব্বাস এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লে পুরো সংসদে নীরবতা নেমে আসে। বর্তমানে মির্জা আব্বাস স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না। বসা থেকে ওঠার সময়ও তার কথা অস্পষ্ট শোনা যায় এবং একটি হাত নাড়াতেও তাকে প্রচণ্ড কষ্ট করতে হচ্ছে।
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার জন্য নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর আচরণকে দায়ী করে রাশেদ খাঁন লেখেন, নির্বাচনের আগে থেকেই বয়সে তুলনামূলকভাবে ছোট নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করতে হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও সেই মানসিক নিপীড়ন অব্যাহত ছিল। এমনকি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়ও তার প্রতিকৃতি তৈরি করে সেটিকে বক্সিং করা বা আঘাত করার মতো কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করা হয়েছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, সাধারণ অসুস্থতার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সরাসরি দায়ী করা সম্ভব না হলেও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক নিপীড়ন স্ট্রোকের অন্যতম বড় কারণ হতে পারে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সংগঠিত করা এবং গত ১৬ বছরে বহুবার কারাবরণ করা এই প্রবীণ নেতাকে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ভিত্তিহীন অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ এসব অবিচার ও মিথ্যা অপবাদ মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের তীব্র মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত মির্জা আব্বাস স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং বর্তমান এই করুণ পরিস্থিতিতে পড়েন।
তার মতে, মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত মানসিক অত্যাচারের প্রত্যক্ষ ফল।
সূত্র: ইত্তেফাক

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব দাবি করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরও মির্জা আব্বাস এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লে পুরো সংসদে নীরবতা নেমে আসে। বর্তমানে মির্জা আব্বাস স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না। বসা থেকে ওঠার সময়ও তার কথা অস্পষ্ট শোনা যায় এবং একটি হাত নাড়াতেও তাকে প্রচণ্ড কষ্ট করতে হচ্ছে।
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার জন্য নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর আচরণকে দায়ী করে রাশেদ খাঁন লেখেন, নির্বাচনের আগে থেকেই বয়সে তুলনামূলকভাবে ছোট নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করতে হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও সেই মানসিক নিপীড়ন অব্যাহত ছিল। এমনকি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়ও তার প্রতিকৃতি তৈরি করে সেটিকে বক্সিং করা বা আঘাত করার মতো কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করা হয়েছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, সাধারণ অসুস্থতার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সরাসরি দায়ী করা সম্ভব না হলেও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক নিপীড়ন স্ট্রোকের অন্যতম বড় কারণ হতে পারে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সংগঠিত করা এবং গত ১৬ বছরে বহুবার কারাবরণ করা এই প্রবীণ নেতাকে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ভিত্তিহীন অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ এসব অবিচার ও মিথ্যা অপবাদ মানসিকভাবে মেনে নিতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের তীব্র মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত মির্জা আব্বাস স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং বর্তমান এই করুণ পরিস্থিতিতে পড়েন।
তার মতে, মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত মানসিক অত্যাচারের প্রত্যক্ষ ফল।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন