তিনি বলেন, একদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেল ও সারের সংকট রয়েছে, অন্যদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর প্রভাবও সরাসরি জনগণের ওপর পড়ছে। সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নিজেই স্বীকার করেছেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে। অথচ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টন মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ শেষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট দূর করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দফা দাবিতে আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে আরও তিনটি রুটে লংমার্চ কর্মসূচি শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো জনগণের গণদাবি সংসদে আদায়ের চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার বারবার এসব দাবি উপেক্ষা করছে। সংসদের মাধ্যমে দাবি আদায় সম্ভব না হলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে তা আদায় করা হবে। আজ হোক বা আগামীকাল, গণভোটের রায় সরকারকে বাস্তবায়ন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের বিপ্লবের পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করছে। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে সব সিটি করপোরেশনে দলীয় নেতাদের প্রশাসক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় ব্যক্তিদের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি স্কুল-কলেজও দলীয় লোকজনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হচ্ছে। এই নির্লজ্জ দলীয়করণের ফলে সৎ, যোগ্য ও মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্য বুলবুল বলেন, একদিকে পতিত আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে যেভাবে গুলি চালিয়েছে, তাতে জনগণের কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ভেঙে গেছে। অন্যদিকে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটছে। প্রশাসন কোনো অপরাধীকে আটক করলে সেখানে সরকারদলীয় নেতারা প্রভাব বিস্তার করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চে অংশ নেওয়ার জন্য ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান নূরুল ইসলাম বুলবুল। কর্মসূচি উপলক্ষে তিনি রাজধানীর পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা ও ফকিরাপুল এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন।
এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খানসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিনি বলেন, একদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেল ও সারের সংকট রয়েছে, অন্যদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর প্রভাবও সরাসরি জনগণের ওপর পড়ছে। সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নিজেই স্বীকার করেছেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে। অথচ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টন মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ শেষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট দূর করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দফা দাবিতে আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে আরও তিনটি রুটে লংমার্চ কর্মসূচি শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো জনগণের গণদাবি সংসদে আদায়ের চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার বারবার এসব দাবি উপেক্ষা করছে। সংসদের মাধ্যমে দাবি আদায় সম্ভব না হলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে তা আদায় করা হবে। আজ হোক বা আগামীকাল, গণভোটের রায় সরকারকে বাস্তবায়ন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের বিপ্লবের পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করছে। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে সব সিটি করপোরেশনে দলীয় নেতাদের প্রশাসক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় ব্যক্তিদের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এমনকি স্কুল-কলেজও দলীয় লোকজনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হচ্ছে। এই নির্লজ্জ দলীয়করণের ফলে সৎ, যোগ্য ও মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্য বুলবুল বলেন, একদিকে পতিত আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে যেভাবে গুলি চালিয়েছে, তাতে জনগণের কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ভেঙে গেছে। অন্যদিকে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটছে। প্রশাসন কোনো অপরাধীকে আটক করলে সেখানে সরকারদলীয় নেতারা প্রভাব বিস্তার করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চে অংশ নেওয়ার জন্য ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান নূরুল ইসলাম বুলবুল। কর্মসূচি উপলক্ষে তিনি রাজধানীর পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা ও ফকিরাপুল এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন।
এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খানসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: ইনসাফ ২৪

আপনার মতামত লিখুন