বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন পরোপকারী, দক্ষ রাজনীতিক ও সমাজ সংস্কারক। সত্য, ন্যায়, মানবতা ও কল্যাণের প্রতীক হিসেবেই তিনি পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
তিনি বলেন, অন্যায় ও অবিচার যেখানে দেখা দিয়েছে, সেখানেই শ্রীকৃষ্ণ আপন মহিমায় আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি সবসময় সত্য ও মানবতার পথ অনুসরণ করেছেন। শ্রীকৃষ্ণের চিন্তা ও দর্শন হিন্দু সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। যুগের পর যুগ এই দর্শন মানুষকে মানবিক, পরোপকারী এবং অন্যের প্রতি সহমর্মী হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। অসাম্প্রদায়িকতা ও ঐক্যের চেতনা এ দেশের সমাজ ও সংস্কৃতির অন্যতম শক্তি। দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও বিশ্বাস স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে মানবকল্যাণ। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে মানবকল্যাণে কাজ করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে।
পরোপকারের মহান আদর্শে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্মীয় কারণে মানুষে-মানুষে সংঘাত, হানাহানি ও বিভেদ বাড়ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
এ ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে অসাম্প্রদায়িক ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
সূত্র: ইত্তেফাক

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন পরোপকারী, দক্ষ রাজনীতিক ও সমাজ সংস্কারক। সত্য, ন্যায়, মানবতা ও কল্যাণের প্রতীক হিসেবেই তিনি পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
তিনি বলেন, অন্যায় ও অবিচার যেখানে দেখা দিয়েছে, সেখানেই শ্রীকৃষ্ণ আপন মহিমায় আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি সবসময় সত্য ও মানবতার পথ অনুসরণ করেছেন। শ্রীকৃষ্ণের চিন্তা ও দর্শন হিন্দু সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। যুগের পর যুগ এই দর্শন মানুষকে মানবিক, পরোপকারী এবং অন্যের প্রতি সহমর্মী হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। অসাম্প্রদায়িকতা ও ঐক্যের চেতনা এ দেশের সমাজ ও সংস্কৃতির অন্যতম শক্তি। দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও বিশ্বাস স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে মানবকল্যাণ। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে মানবকল্যাণে কাজ করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে।
পরোপকারের মহান আদর্শে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্মীয় কারণে মানুষে-মানুষে সংঘাত, হানাহানি ও বিভেদ বাড়ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
এ ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণের দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে অসাম্প্রদায়িক ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি শুভ জন্মাষ্টমী উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন