ম্যাচজুড়ে একের পর এক চেষ্টা করে গেল ম্যানচেস্টার সিটি। কিন্তু প্রতিপক্ষের জালে খুব একটা বিপদ ঘটাতে পারল না তারা। এর মাঝেও আরও একবার পার্থক্য গড়ে দিলেন আর্লিং হলান্ড। তার রেকর্ড গড়া গোলে জয় পেল সিটিজেনরা।
ঘরের মাঠে শনিবার রাতে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ম্যান সিটি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচ জয় নিয়ে অর্থাৎ জয়ের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেই মাঠ ছেড়েছে এনজো মারেসকার দল।
পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েই খেলে স্বাগতিকরা। ম্যাচের প্রায় ৭৮ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১১টি শট করে তারা। এর তিনটি লক্ষ্য বরাবর রাখলেও একটি বেশি গোল পায়নি তারা।
ম্যাচের শুরুতে উল্টো জিয়ানলুইজি দোনারুম্মার ভুলে গোল হজম করতে বসেছিল সিটিজেনরা। ব্যাক পাস ঠিকঠাক রিসিভ করতে পারেননি ইতালিয়ান গোলরক্ষক। জালের দিকে যাওয়ার পথে ঠিক গোল লাইনে সেটি ফেরান তিনি।
এরপর দোনারুম্মাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কভেন্ট্রি। সেখান থেকেই যেন ঘুরে দাঁড়ানোর টোটকা পেয়ে যায় ম্যান সিটি।
২৬ মিনিটের মাথায় ডি বক্সের ভেতরে চমৎকার ক্রস দেন অ্যান্তনিও সিমেনিয়ো। সবার ওপরে লাফিয়ে উঠে জোরাল হেডারে বল জালে পাঠান হলান্ড।
ম্যান সিটির হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে হেড থেকে এ নিয়ে ২০টি গোল করলেন হলান্ড। যা কিনা ক্লাবের রেকর্ড। প্রিমিয়ার লিগে হেডে ১৯টি করে এত দিন রেকর্ডটি ছিল ক্লাবের আরেক কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরোর।
এই গোলের সৌজন্যে ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন নরওয়েজিয়ান তারকা। এর মধ্যে ১৬৫টি তিনি করেছেন ম্যান সিটির জার্সিতে। এছাড়া বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৮৬, রেড বুল সালজবার্গের হয়ে ২৯ ও মোলদে এফকের হয়ে করেছেন ২০ গোল।
এর বাইরে নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৬২টি গোল করেছেন হলান্ড।
তারকা ফরোয়ার্ডের রেকর্ডময় গোলের পর প্রথমার্ধে আরও কিছু সুযোগ তৈরি করে ম্যান সিটি। কিন্তু কোনোটি তারা কাজে লাগাতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৬০ মিনিটের মাথায় ক্লাবের অভিষিক্ত এনজো ফার্নান্দেজের চমৎকার পাস ধরে বল জালে পাঠান হলান্ড। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার অফসাইডে থাকায় বাতিল হয়ে যায় সেই গোল।
এরপর আবারও বেশ কিছু সুযোগ আসে সিটির সামনে। কিন্তু বারবার হতাশ করায় স্কোরলাইন আর বদলায়নি।
এই জয়ে তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যান সিটি। সমান ম্যাচে সবকটি হেরে তলানিতে কভেন্ট্রি।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ম্যাচজুড়ে একের পর এক চেষ্টা করে গেল ম্যানচেস্টার সিটি। কিন্তু প্রতিপক্ষের জালে খুব একটা বিপদ ঘটাতে পারল না তারা। এর মাঝেও আরও একবার পার্থক্য গড়ে দিলেন আর্লিং হলান্ড। তার রেকর্ড গড়া গোলে জয় পেল সিটিজেনরা।
ঘরের মাঠে শনিবার রাতে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ম্যান সিটি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচ জয় নিয়ে অর্থাৎ জয়ের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেই মাঠ ছেড়েছে এনজো মারেসকার দল।
পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েই খেলে স্বাগতিকরা। ম্যাচের প্রায় ৭৮ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১১টি শট করে তারা। এর তিনটি লক্ষ্য বরাবর রাখলেও একটি বেশি গোল পায়নি তারা।
ম্যাচের শুরুতে উল্টো জিয়ানলুইজি দোনারুম্মার ভুলে গোল হজম করতে বসেছিল সিটিজেনরা। ব্যাক পাস ঠিকঠাক রিসিভ করতে পারেননি ইতালিয়ান গোলরক্ষক। জালের দিকে যাওয়ার পথে ঠিক গোল লাইনে সেটি ফেরান তিনি।
এরপর দোনারুম্মাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কভেন্ট্রি। সেখান থেকেই যেন ঘুরে দাঁড়ানোর টোটকা পেয়ে যায় ম্যান সিটি।
২৬ মিনিটের মাথায় ডি বক্সের ভেতরে চমৎকার ক্রস দেন অ্যান্তনিও সিমেনিয়ো। সবার ওপরে লাফিয়ে উঠে জোরাল হেডারে বল জালে পাঠান হলান্ড।
ম্যান সিটির হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে হেড থেকে এ নিয়ে ২০টি গোল করলেন হলান্ড। যা কিনা ক্লাবের রেকর্ড। প্রিমিয়ার লিগে হেডে ১৯টি করে এত দিন রেকর্ডটি ছিল ক্লাবের আরেক কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরোর।
এই গোলের সৌজন্যে ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন নরওয়েজিয়ান তারকা। এর মধ্যে ১৬৫টি তিনি করেছেন ম্যান সিটির জার্সিতে। এছাড়া বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৮৬, রেড বুল সালজবার্গের হয়ে ২৯ ও মোলদে এফকের হয়ে করেছেন ২০ গোল।
এর বাইরে নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৬২টি গোল করেছেন হলান্ড।
তারকা ফরোয়ার্ডের রেকর্ডময় গোলের পর প্রথমার্ধে আরও কিছু সুযোগ তৈরি করে ম্যান সিটি। কিন্তু কোনোটি তারা কাজে লাগাতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৬০ মিনিটের মাথায় ক্লাবের অভিষিক্ত এনজো ফার্নান্দেজের চমৎকার পাস ধরে বল জালে পাঠান হলান্ড। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার অফসাইডে থাকায় বাতিল হয়ে যায় সেই গোল।
এরপর আবারও বেশ কিছু সুযোগ আসে সিটির সামনে। কিন্তু বারবার হতাশ করায় স্কোরলাইন আর বদলায়নি।
এই জয়ে তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যান সিটি। সমান ম্যাচে সবকটি হেরে তলানিতে কভেন্ট্রি।

আপনার মতামত লিখুন