গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য আজ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৭টার কিছু পর রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ শুরু হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরপর সকাল ৮টার মধ্যে সেখান থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ যাত্রা করবে।
আয়োজকদের তথ্যমতে, লংমার্চে এক হাজারের বেশি যানবাহন অংশ নিতে পারে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা করার কথাও রয়েছে। লংমার্চের শেষ গন্তব্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দান।
লংমার্চের সূচনাস্থল হওয়ায় সকাল থেকেই মতিঝিল, শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মানুষের উপস্থিতি বাড়তে পারে। পরে লংমার্চের গাড়িবহর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতেও যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আয়োজকেরা কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
জরুরি প্রয়োজন না থাকলে সকালে মতিঝিল ও শাপলা চত্বরমুখী যাত্রা এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ব্যবহার করে যারা যাতায়াত করবেন, তাদের হাতে অতিরিক্ত সময় নিয়ে বের হওয়া ভালো।
সর্বশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী, আজ ঢাকার কর্মসূচিগুলোর মধ্যে শাপলা চত্বরের সমাবেশ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। তাই দিনের শুরুতেই গন্তব্য এবং যাতায়াতের পথ বিবেচনা করে বের হওয়াই নিরাপদ।
সূত্র: কালবেলা/কেএইচআর

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য আজ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৭টার কিছু পর রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ শুরু হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরপর সকাল ৮টার মধ্যে সেখান থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ যাত্রা করবে।
আয়োজকদের তথ্যমতে, লংমার্চে এক হাজারের বেশি যানবাহন অংশ নিতে পারে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা করার কথাও রয়েছে। লংমার্চের শেষ গন্তব্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দান।
লংমার্চের সূচনাস্থল হওয়ায় সকাল থেকেই মতিঝিল, শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মানুষের উপস্থিতি বাড়তে পারে। পরে লংমার্চের গাড়িবহর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতেও যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আয়োজকেরা কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
জরুরি প্রয়োজন না থাকলে সকালে মতিঝিল ও শাপলা চত্বরমুখী যাত্রা এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ব্যবহার করে যারা যাতায়াত করবেন, তাদের হাতে অতিরিক্ত সময় নিয়ে বের হওয়া ভালো।
সর্বশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী, আজ ঢাকার কর্মসূচিগুলোর মধ্যে শাপলা চত্বরের সমাবেশ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। তাই দিনের শুরুতেই গন্তব্য এবং যাতায়াতের পথ বিবেচনা করে বের হওয়াই নিরাপদ।
সূত্র: কালবেলা/কেএইচআর

আপনার মতামত লিখুন