ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মামুন অর রশিদ। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদ বলেন, রাজশাহী জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের কারণে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বিশেষভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাদকদ্রব্যের বিস্তার সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক হুমকি। মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের কোনো সদস্য মাদক ব্যবসা বা মাদক সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাই কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তার দায় ব্যক্তিগত এবং বিভাগীয় ও আইনগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে এসপি বলেন, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়, দখলদারিত্ব কিংবা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শুধু পুলিশের একার পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব নয়। এজন্য সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও মাদক বিক্রি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি কিংবা পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তথ্য প্রদানকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

রাজশাহী জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি জোরদার করবে বলে জানান তিনি। অপরাধ দমনে পুলিশের সব ইউনিটকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদের এমন কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের প্রত্যাশা, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে রাজশাহীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মামুন অর রশিদ। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদ বলেন, রাজশাহী জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের কারণে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি বিশেষভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাদকদ্রব্যের বিস্তার সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক হুমকি। মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের কোনো সদস্য মাদক ব্যবসা বা মাদক সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাই কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তার দায় ব্যক্তিগত এবং বিভাগীয় ও আইনগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে এসপি বলেন, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়, দখলদারিত্ব কিংবা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শুধু পুলিশের একার পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব নয়। এজন্য সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও মাদক বিক্রি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি কিংবা পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তথ্য প্রদানকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

রাজশাহী জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি জোরদার করবে বলে জানান তিনি। অপরাধ দমনে পুলিশের সব ইউনিটকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদের এমন কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের প্রত্যাশা, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে রাজশাহীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবেন।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
0:00 0:00
1.0x