চাঁদপুরের রুপালী ইলিশের নাম ভাঙিয়ে মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি অনলাইন প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ।
নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪৬টি সিম কার্ড (যার মধ্যে ২টি ভারতীয় সিম) এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে চাঁদপুর পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকার ফুরকান শেখ (২৫), চান্দু শেখ (২৫), রাতুল হোসেন নবেল (২৫) ও শহিদুল শেখ (২৩)।
পুলিশ জানায়, চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা এডিট করে ফেক পেজ এবং হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত।
এরপর ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, জুতা, কলম, শিশুদের খেলনা ও অনলাইন চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন ও রিলস তৈরি করে বুস্ট পোস্টের মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিত। ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগের জন্য তারা অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করত। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর জানায়, এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। একই ঘটনায় ইতিপূর্বে গ্রেফতারকৃত ২ জনসহ এ পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বিষয় : বাণিজ্য

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের রুপালী ইলিশের নাম ভাঙিয়ে মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি অনলাইন প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ।
নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪৬টি সিম কার্ড (যার মধ্যে ২টি ভারতীয় সিম) এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে চাঁদপুর পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকার ফুরকান শেখ (২৫), চান্দু শেখ (২৫), রাতুল হোসেন নবেল (২৫) ও শহিদুল শেখ (২৩)।
পুলিশ জানায়, চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা এডিট করে ফেক পেজ এবং হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত।
এরপর ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, জুতা, কলম, শিশুদের খেলনা ও অনলাইন চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন ও রিলস তৈরি করে বুস্ট পোস্টের মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিত। ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগের জন্য তারা অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করত। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর জানায়, এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। একই ঘটনায় ইতিপূর্বে গ্রেফতারকৃত ২ জনসহ এ পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন