সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন। এর আগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাতে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের গারোর ভিটার জঙ্গল থেকে কঙ্কালটির সন্ধান পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, রাশেদুলের বাবা মো. শাহজাহান প্যান্ট ও গেঞ্জি দেখে উদ্ধার হওয়া পোশাক তার ছেলে রাশেদুলের বলে শনাক্ত করেছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট রাত ৯টার দিকে জসিম মিয়া নামের এক যুবক মুঠোফোনে রাশেদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরদিন সকালে রাশেদুলের মোবাইল ফোন থেকে তার বাবার কাছে নারী কণ্ঠে জানানো হয়, রাশেদুলকে অপহরণ করা হয়েছে। এ সময় ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা পাঠানোর জন্য দুই ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কয়েক দফায় মুঠোবার্তাও পাঠানো হয়।
এরপর রাশেদুলের বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২৫ আগস্ট জসিমকে প্রধান আসামি করে থানায় অপহরণের মামলা দায়ের করেন তিনি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রোববার দুপুরে শ্যামগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে জসিম উদ্দিন (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। পরে জসিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের রফিক (২৮) ও মোজাম্মেল (২৭) নামের আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. জিকরুল জানান, জসিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চন্দ্রপুর গ্রামের গারোর ভিটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে মাটিতে ছড়িয়ে থাকা হাড়, খুলি ও পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। পোশাক দেখে নিখোঁজ রাশেদুলের বাবা সেগুলো তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রাশেদুলকে গলা টিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা। উদ্ধার করা কঙ্কাল ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্যও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন। এর আগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাতে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের গারোর ভিটার জঙ্গল থেকে কঙ্কালটির সন্ধান পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, রাশেদুলের বাবা মো. শাহজাহান প্যান্ট ও গেঞ্জি দেখে উদ্ধার হওয়া পোশাক তার ছেলে রাশেদুলের বলে শনাক্ত করেছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট রাত ৯টার দিকে জসিম মিয়া নামের এক যুবক মুঠোফোনে রাশেদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরদিন সকালে রাশেদুলের মোবাইল ফোন থেকে তার বাবার কাছে নারী কণ্ঠে জানানো হয়, রাশেদুলকে অপহরণ করা হয়েছে। এ সময় ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা পাঠানোর জন্য দুই ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কয়েক দফায় মুঠোবার্তাও পাঠানো হয়।
এরপর রাশেদুলের বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২৫ আগস্ট জসিমকে প্রধান আসামি করে থানায় অপহরণের মামলা দায়ের করেন তিনি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রোববার দুপুরে শ্যামগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে জসিম উদ্দিন (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। পরে জসিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের রফিক (২৮) ও মোজাম্মেল (২৭) নামের আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. জিকরুল জানান, জসিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চন্দ্রপুর গ্রামের গারোর ভিটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে মাটিতে ছড়িয়ে থাকা হাড়, খুলি ও পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। পোশাক দেখে নিখোঁজ রাশেদুলের বাবা সেগুলো তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রাশেদুলকে গলা টিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা। উদ্ধার করা কঙ্কাল ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্যও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন