আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পাংশায় প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, একটি অর্থনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এই প্রকল্প মাস্টারমাইন্ড মেগা প্রকল্প। পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। কৃষিতে বিপ্লব হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, মাছ চাষ বাড়বে এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এর সঙ্গে আরও আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত হবে।
তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে প্রকল্পটি নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকে এর কাজ এগিয়ে নেয়া হয়। পরে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ২০২৬ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন করা হয়েছে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে যে বিষয়টি ছিল, তার হাত ধরেই এখন সেটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। এ জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ২৪ জেলার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা, পদ্মা ব্যারেজ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা মোকাবিলার মতো বিষয়গুলো এর অংশ।
তিনি বলেন, ‘পানি জীবন’–এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রী বড় ধরনের পরিবর্তন আনছেন। পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু হলো, ভবিষ্যতে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হবে।
এ সময় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পাংশায় প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, একটি অর্থনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এই প্রকল্প মাস্টারমাইন্ড মেগা প্রকল্প। পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। কৃষিতে বিপ্লব হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, মাছ চাষ বাড়বে এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এর সঙ্গে আরও আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত হবে।
তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে প্রকল্পটি নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকে এর কাজ এগিয়ে নেয়া হয়। পরে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ২০২৬ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন করা হয়েছে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে যে বিষয়টি ছিল, তার হাত ধরেই এখন সেটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। এ জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ২৪ জেলার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা, পদ্মা ব্যারেজ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা মোকাবিলার মতো বিষয়গুলো এর অংশ।
তিনি বলেন, ‘পানি জীবন’–এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রী বড় ধরনের পরিবর্তন আনছেন। পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু হলো, ভবিষ্যতে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হবে।
এ সময় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন