গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ফাঁকা বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া খানকা মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত ওই নারীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার স্বজনদের দাবি, ধর্ষকদের হামলায় ওই গৃহবধূর তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে।
ভুক্তভোগী জানান, ওইদিন রাতে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাড়ির বাইরে ছিলেন। ফলে সন্তানদের নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে তিন থেকে চার জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় তার সন্তানদেরও দূরে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে তারা ভুক্তভোগী নারীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান বলে স্থানীয়রা জানান। এ সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা অভিযুক্ত আকবর ও সোহাগ কাজী নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছি। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ফাঁকা বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া খানকা মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত ওই নারীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার স্বজনদের দাবি, ধর্ষকদের হামলায় ওই গৃহবধূর তিনটি দাঁত ভেঙে গেছে।
ভুক্তভোগী জানান, ওইদিন রাতে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাড়ির বাইরে ছিলেন। ফলে সন্তানদের নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে তিন থেকে চার জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় তার সন্তানদেরও দূরে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে তারা ভুক্তভোগী নারীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান বলে স্থানীয়রা জানান। এ সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা অভিযুক্ত আকবর ও সোহাগ কাজী নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছি। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন