প্রভাবমুক্ত ভোট করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রাখতে চায় না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষক ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে আইন সংশোধরেন প্রস্তাব করে ইসি। তবে এর বিরোধিতা করে জামায়াত বলছে, এমপিও শিক্ষকদের ভোটে লড়ার সুযোগ দিতে হবে। আর সরকার বলছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
এর মধ্যেই ১২ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এ মাসেই হবে তফসিল ঘোষণা। এখন সংসদ অধিবেশনও নেই। আইন পরবর্তনের আপাতত সুযোগ না থাকলেও অধ্যাদেশ জারির সুযোগ রয়েছে।
কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ অসম্ভব। সেক্ষেত্রে শিক্ষকদের একইসঙ্গে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে ভোট।
নির্বাচন কমিশনারস্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন সংশোধনে ইসির সুপারিশের সঙ্গে একমত বিশ্লেষকরাও। তাদের দাবি, প্রভাবমুক্ত ভোট করতে শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ না দেয়াই কাম্য।
বিশ্লেষকদের মতে, একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ থাকলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হবে, যা সহিংসতা উসকে দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রভাবমুক্ত ভোট করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রাখতে চায় না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষক ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে আইন সংশোধরেন প্রস্তাব করে ইসি। তবে এর বিরোধিতা করে জামায়াত বলছে, এমপিও শিক্ষকদের ভোটে লড়ার সুযোগ দিতে হবে। আর সরকার বলছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
এর মধ্যেই ১২ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এ মাসেই হবে তফসিল ঘোষণা। এখন সংসদ অধিবেশনও নেই। আইন পরবর্তনের আপাতত সুযোগ না থাকলেও অধ্যাদেশ জারির সুযোগ রয়েছে।
কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ অসম্ভব। সেক্ষেত্রে শিক্ষকদের একইসঙ্গে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে ভোট।
নির্বাচন কমিশনারস্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন সংশোধনে ইসির সুপারিশের সঙ্গে একমত বিশ্লেষকরাও। তাদের দাবি, প্রভাবমুক্ত ভোট করতে শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ না দেয়াই কাম্য।
বিশ্লেষকদের মতে, একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ থাকলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হবে, যা সহিংসতা উসকে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন