জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া নীতি-নির্ধারণী বক্তব্যে মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা দেশটির অবস্থান তুলে ধরেন।
ভাষণে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন মরক্কোর পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অগ্রাধিকার। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ১৯৬৭ সালের ৪ জুনের সীমারেখা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যা শান্তিপূর্ণভাবে ইসরাইলের পাশাপাশি অবস্থান করবে।
জেরুজালেমের পবিত্রতা রক্ষার বিষয়ে নাসের বুরিতা বলেন, ওআইসির ‘আল-কুদস কমিটির’ চেয়ারম্যান হিসেবে মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ পবিত্র এই নগরীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, আধ্যাত্মিক ও আইনি মর্যাদা সংরক্ষণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে ‘বাইত মাল আল-কুদস এজেন্সি’র মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে মাকদিসি বা জেরুজালেমের বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের অস্তিত্ব ধরে রাখার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের আইনি পরিচয় পরিবর্তন এবং অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত সহিংসতা চালানো হচ্ছে। তার ভাষায়, এর মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে নিজ ভূমি থেকে বাস্তুচ্যুত করা এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া।
বক্তব্যে গাজায় দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকটের অবসানে দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা বলেন।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বাস্তব উদ্যোগ হিসেবে গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশ নেওয়া, ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং একটি ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের ক্ষেত্রে মরক্কোর প্রস্তুতির কথাও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া নীতি-নির্ধারণী বক্তব্যে মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা দেশটির অবস্থান তুলে ধরেন।
ভাষণে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন মরক্কোর পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অগ্রাধিকার। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ১৯৬৭ সালের ৪ জুনের সীমারেখা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যা শান্তিপূর্ণভাবে ইসরাইলের পাশাপাশি অবস্থান করবে।
জেরুজালেমের পবিত্রতা রক্ষার বিষয়ে নাসের বুরিতা বলেন, ওআইসির ‘আল-কুদস কমিটির’ চেয়ারম্যান হিসেবে মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ পবিত্র এই নগরীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, আধ্যাত্মিক ও আইনি মর্যাদা সংরক্ষণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে ‘বাইত মাল আল-কুদস এজেন্সি’র মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে মাকদিসি বা জেরুজালেমের বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের অস্তিত্ব ধরে রাখার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের আইনি পরিচয় পরিবর্তন এবং অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত সহিংসতা চালানো হচ্ছে। তার ভাষায়, এর মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে নিজ ভূমি থেকে বাস্তুচ্যুত করা এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া।
বক্তব্যে গাজায় দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকটের অবসানে দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা বলেন।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বাস্তব উদ্যোগ হিসেবে গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশ নেওয়া, ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং একটি ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের ক্ষেত্রে মরক্কোর প্রস্তুতির কথাও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন