নিউইয়র্ক সিটিতে আটলান্টিক কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট।
ইসরাইলের সঙ্গে সিরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং গোলান মালভূমি ফেরত পাওয়ার পূর্বশর্তের বিষয়ে আল-শারা বলেন, প্রথমে দক্ষিণ সিরিয়ার দখল করা এলাকা থেকে ইসরাইলকে সরে যেতে হবে।
তিনি জানান, গত এক বছর ধরে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হয়েছে। তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার আগে আসাদ সরকারের পতনের পর ইসরাইল দক্ষিণ সিরিয়ার যেসব এলাকা দখল করেছে, সেখান থেকে তাদের প্রত্যাহার করতে হবে।
আল-শারা আরও বলেন, এরপর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করা হবে। এসব ব্যবস্থা কার্যকর হলে স্থায়ী শান্তির দিকে এগোনোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, জাতিসংঘের স্বীকৃতি অনুযায়ী গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ড। তাই এ বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলিদের উদ্বেগ এবং ইসরাইলি জনগণের প্রতি তার কোনো বার্তা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আল-শারা বলেন, ওই ঘটনায় কিছু নিরীহ মানুষের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা তিনি বুঝতে পারেন। তবে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব নীতি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে গাজায় কী ঘটেছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। সেখানে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ৭ অক্টোবরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরিয়ার নীতি নির্ধারণ করা উপযুক্ত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিউইয়র্ক সিটিতে আটলান্টিক কাউন্সিলে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট।
ইসরাইলের সঙ্গে সিরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং গোলান মালভূমি ফেরত পাওয়ার পূর্বশর্তের বিষয়ে আল-শারা বলেন, প্রথমে দক্ষিণ সিরিয়ার দখল করা এলাকা থেকে ইসরাইলকে সরে যেতে হবে।
তিনি জানান, গত এক বছর ধরে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হয়েছে। তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার আগে আসাদ সরকারের পতনের পর ইসরাইল দক্ষিণ সিরিয়ার যেসব এলাকা দখল করেছে, সেখান থেকে তাদের প্রত্যাহার করতে হবে।
আল-শারা আরও বলেন, এরপর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করা হবে। এসব ব্যবস্থা কার্যকর হলে স্থায়ী শান্তির দিকে এগোনোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, জাতিসংঘের স্বীকৃতি অনুযায়ী গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ড। তাই এ বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলিদের উদ্বেগ এবং ইসরাইলি জনগণের প্রতি তার কোনো বার্তা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আল-শারা বলেন, ওই ঘটনায় কিছু নিরীহ মানুষের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা তিনি বুঝতে পারেন। তবে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব নীতি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে গাজায় কী ঘটেছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। সেখানে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ৭ অক্টোবরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরিয়ার নীতি নির্ধারণ করা উপযুক্ত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

আপনার মতামত লিখুন