ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাসের গন্দ্রপা এলাকায় মুহূর্তের সড়ক দূর্ঘটনায় কেড়ে নিয়েছে ৭ জন মানুষের প্রাণ। আজ শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর সোয়া ১টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর পূর্ব গন্দ্রপা (লিয়াকতের মোড়) এলাকায় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুক্তাগাছাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী, পুরুষ, শিশু ও চালকসহ সাতজন নিহত হয়েছে।
সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাসটির চেসিস ও ইউন্ডশিল্ডের সামনের অংশ। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন অটোরিকশার সাত জন যাত্রী। এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে।
নিহত একই পরিবারের চার সদস্যের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দরী হামিদপুর গ্রামে। নিহতরা হলেন মোফাজ্জল হোসেন, তাঁর মা রাশিদা বেগম, মেয়ে মর্জিনা বেগম এবং মর্জিনার সন্তান পাঁচ বছরে শিশু মিনাল। নিহত অপর তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাস ও অটোরিকশাটি জব্দ করেছে এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেছে।
উদ্ধারকৃত নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় ঘণ্টা খানেক যান চলাচল ব্যাহত হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
দূর্ঘটনার কারণ নিয়ে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, উভয় যানবাহনের গতি বেশি থাকায় কেউ কাউকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় মুখোমুখি সংঘর্ষটি হয়ে থাকতে পারে। দূর্ঘটনার পর বাসের চালক ও সহকারী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন।
সাতটি প্রাণহানির এই ঘটনা সড়কে জননিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আকুয়া বাইপাস সড়কটি একটি দূর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হওয়ায় প্রতিবছর এমন ধরণের প্রাণঘাতি সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় জনসাধারণদের দাবী, আকুয়া বাইপাস সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা বেধে দেওয়া ও ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত নজরদারী প্রয়োজন। তাহলে ভবিষ্যতে এমন ধরণের প্রাণঘাতি দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাসের গন্দ্রপা এলাকায় মুহূর্তের সড়ক দূর্ঘটনায় কেড়ে নিয়েছে ৭ জন মানুষের প্রাণ। আজ শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর সোয়া ১টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর পূর্ব গন্দ্রপা (লিয়াকতের মোড়) এলাকায় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুক্তাগাছাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী, পুরুষ, শিশু ও চালকসহ সাতজন নিহত হয়েছে।
সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাসটির চেসিস ও ইউন্ডশিল্ডের সামনের অংশ। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন অটোরিকশার সাত জন যাত্রী। এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে।
নিহত একই পরিবারের চার সদস্যের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দরী হামিদপুর গ্রামে। নিহতরা হলেন মোফাজ্জল হোসেন, তাঁর মা রাশিদা বেগম, মেয়ে মর্জিনা বেগম এবং মর্জিনার সন্তান পাঁচ বছরে শিশু মিনাল। নিহত অপর তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাস ও অটোরিকশাটি জব্দ করেছে এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেছে।
উদ্ধারকৃত নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় ঘণ্টা খানেক যান চলাচল ব্যাহত হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
দূর্ঘটনার কারণ নিয়ে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, উভয় যানবাহনের গতি বেশি থাকায় কেউ কাউকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় মুখোমুখি সংঘর্ষটি হয়ে থাকতে পারে। দূর্ঘটনার পর বাসের চালক ও সহকারী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন।
সাতটি প্রাণহানির এই ঘটনা সড়কে জননিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আকুয়া বাইপাস সড়কটি একটি দূর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হওয়ায় প্রতিবছর এমন ধরণের প্রাণঘাতি সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় জনসাধারণদের দাবী, আকুয়া বাইপাস সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা বেধে দেওয়া ও ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত নজরদারী প্রয়োজন। তাহলে ভবিষ্যতে এমন ধরণের প্রাণঘাতি দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন