আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ২১তম ধাপের অংশ হিসেবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। তাদের দাবি, জর্ডানের স্থানীয় জনগণের সরবরাহ করা গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান চালানো সম্ভব হয়েছে।
বিবৃতিতে স্থানীয়দের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আইআরজিসি আরও দাবি করে, এর আগে জর্ডানের আজরাক এলাকায় মার্কিন ঘাঁটিতে চালানো রকেট হামলাও স্থানীয় নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের সহায়তায় পরিচালিত হয়েছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ২০টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয় এবং ডজনখানেক মার্কিন সেনা নিহত হন।
এ ঘটনার আগে ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা টানা নবম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা পরিচালনা করেছে।
মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
গত জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মার্কিন হামলার জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ২১তম ধাপের অংশ হিসেবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। তাদের দাবি, জর্ডানের স্থানীয় জনগণের সরবরাহ করা গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান চালানো সম্ভব হয়েছে।
বিবৃতিতে স্থানীয়দের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আইআরজিসি আরও দাবি করে, এর আগে জর্ডানের আজরাক এলাকায় মার্কিন ঘাঁটিতে চালানো রকেট হামলাও স্থানীয় নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের সহায়তায় পরিচালিত হয়েছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ২০টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয় এবং ডজনখানেক মার্কিন সেনা নিহত হন।
এ ঘটনার আগে ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা টানা নবম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা পরিচালনা করেছে।
মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
গত জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মার্কিন হামলার জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন