বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শিক্ষা ভবন থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত মেট্রোরেলের মধ্যবর্তী স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রশাসক। এ সময় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তবে মতিঝিলে অফিস সময় শেষে নাইট মার্কেট চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মো. আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, অফিস সময় শেষ হওয়ার পর বিকেল ৪টা থেকে মতিঝিলে নাইট মার্কেট চালু করা হবে। সেখানে হকাররা বসতে পারবেন।
প্রশাসক বলেন, সপ্তাহের সাত দিন সব জায়গায় হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি হকারদেরও মেনে নিতে হবে। নির্ধারিত নিয়ম ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নিশ্চিত করেই তাদের বসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ সুরক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে মো. আব্দুস সালাম বলেন, ধাপে ধাপে নগরের সব ফ্লাইওভারের নিচে গাছ লাগানো হবে। এর মাধ্যমে রাজধানীর পরিবেশকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার বিষয়ে ব্যবসায়ী ও অফিস কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। নগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: জনবাণী

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শিক্ষা ভবন থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত মেট্রোরেলের মধ্যবর্তী স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রশাসক। এ সময় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তবে মতিঝিলে অফিস সময় শেষে নাইট মার্কেট চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মো. আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, অফিস সময় শেষ হওয়ার পর বিকেল ৪টা থেকে মতিঝিলে নাইট মার্কেট চালু করা হবে। সেখানে হকাররা বসতে পারবেন।
প্রশাসক বলেন, সপ্তাহের সাত দিন সব জায়গায় হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি হকারদেরও মেনে নিতে হবে। নির্ধারিত নিয়ম ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নিশ্চিত করেই তাদের বসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ সুরক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে মো. আব্দুস সালাম বলেন, ধাপে ধাপে নগরের সব ফ্লাইওভারের নিচে গাছ লাগানো হবে। এর মাধ্যমে রাজধানীর পরিবেশকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার বিষয়ে ব্যবসায়ী ও অফিস কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। নগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: জনবাণী

আপনার মতামত লিখুন