উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের হার্টশহর গ্রামের সোনারপাড়া ফসলি মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ১৬ শতাংশ জমিতে চাষ করা লাউগাছগুলো কাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। খেতের পাশেই হতাশ হয়ে বসে ছিলেন কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মন ও তার স্ত্রী।
কৃষক শরণ্যচন্দ্র জানান, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ১৬ শতাংশ জমি বর্গা করে সেখানে লাউ চাষ শুরু করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে খেতে গিয়ে প্রথমে দেখতে পান, গাছগুলো নুয়ে আছে। পরে কাছে গিয়ে দেখেন, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা লাউগাছগুলোর গোড়া কেটে দিয়েছে।
লাউ ধরার আগেই সব গাছ কেটে দেওয়ায় তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান তিনি। এ অবস্থায় নেওয়া ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক শরণ্যচন্দ্র।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাধবী রানী বলেন, ঋণ নিয়ে জমি বর্গা করে লাউ চাষ করেছিলেন তারা। শত্রুতার জেরে তাদের সব গাছ কেটে দেওয়া হয়েছে। মেয়েসন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ সংসার কীভাবে চালাবেন, এখন সেটিই বুঝতে পারছেন না তিনি।
স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সরাসরি সরকারি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলেও ভবিষ্যতে তাকে সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।
ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের হার্টশহর গ্রামের সোনারপাড়া ফসলি মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ১৬ শতাংশ জমিতে চাষ করা লাউগাছগুলো কাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। খেতের পাশেই হতাশ হয়ে বসে ছিলেন কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মন ও তার স্ত্রী।
কৃষক শরণ্যচন্দ্র জানান, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ১৬ শতাংশ জমি বর্গা করে সেখানে লাউ চাষ শুরু করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে খেতে গিয়ে প্রথমে দেখতে পান, গাছগুলো নুয়ে আছে। পরে কাছে গিয়ে দেখেন, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা লাউগাছগুলোর গোড়া কেটে দিয়েছে।
লাউ ধরার আগেই সব গাছ কেটে দেওয়ায় তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান তিনি। এ অবস্থায় নেওয়া ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক শরণ্যচন্দ্র।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাধবী রানী বলেন, ঋণ নিয়ে জমি বর্গা করে লাউ চাষ করেছিলেন তারা। শত্রুতার জেরে তাদের সব গাছ কেটে দেওয়া হয়েছে। মেয়েসন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ সংসার কীভাবে চালাবেন, এখন সেটিই বুঝতে পারছেন না তিনি।
স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সরাসরি সরকারি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলেও ভবিষ্যতে তাকে সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।
ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন